শুক্রবার | ২৩ এপ্রিল ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • নতুন ভ্যারিয়েন্ট কানাডাকে আবৃত করে ফেলতে যাচ্ছে : ট্রুডো
  • ভ্যাকসিনেশনের গতি বাড়াতে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ : ডগ ফোর্ড
রাখে আল্লাহ মারে কে!

: ৪ এপ্রিল ২০২১ | নির্জলা প্রিয়দর্শিনী |

ছবি সংগৃহীত

একেই বলে রাখে আল্লাহ মারে কে। নিশ্চিত  মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে এ কথাই যেনো প্রমাণ করলেন ২৬ বছর বয়সী নার্স কোর্টনি আরহার্ডট।  গত মঙ্গলবার কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার পথে গার্ডিনার এক্সপ্রেসওয়েতে ঘটে যাওয়া ভয়ঙ্কর সেই ঘটনা থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যান তিনি।  আরহার্ডটের ভাষায়, মনে হলো একটা ট্রাক আমাকে আঘাত করল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত যা হলো তাতে করে আমি কৃতজ্ঞ। কারণ, আমি নিরাপদ। আমার শরীরে সামান্য কিছু চোট লাগলেও দুর্ঘটনাস্থল থেকে হেঁটে নিরাপদে চলে আসতে পেরেছিলাম। এটা সত্যিই অলৌকিক।

কীভাবে ঘটল সেই দুর্ঘটনা? আরহার্ডটের বয়ানে, গার্ডিনার এক্সপ্রেসওয়ে ধরে পশ্চিম দিকে যাচ্ছিলেন তিনি। একটি ট্রাক তার গাড়িটি খেয়াল না করে সজোরে ধাক্কা দেয়।

আরহার্ডট বলছিলেন, আমার শুধু স্টিয়ারিং হুইলটি ধরে রাখার কথাই মনে আছে। এরপর শুধু চিৎকার এবং মনে হচ্ছিল আমি মারা যাচ্ছি। আমি ছোট গাড়িটি উল্টে গিয়েছিল কিনা আমার ঠিক মনে নেই। 

বিধ্বস্ত আরহার্ডট সে সময় মনে মনে একটাই প্রার্থনা করছিলেন, কী ঘটতে চলেছে ট্রাক চালক যেনো তা উপলব্ধি করেন। ঠিক সেই সময় তার গাড়ির পাশে থামা এক দম্পতির চোখাচোখি হয় আরহর্ডটের। সেই বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি বলছিলেন, তারা সামনের দিক থেকে আমার গাড়িটি অতিক্রম করছিলেন এবং আমাকে চিৎকার করতে দেখে ৯১১-এ ফোন করেন। সেই সঙ্গে ট্রাকটিকেও থামান। ট্রাকটিকে যখন থামল, আমার তখন হিমশীতল অবস্থা। আমি গাড়ি থেকে বের হতে পারছিলাম না এবং তারাই আমাকে বের করে রাস্তার পাশে একটি নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসেন। এরপর একজন প্যারামেডিক তাকে পরীক্ষা করেন এবং সামান্য আঘাত পেলেও হাসপাতালে যেতে হয়নি।

আরহার্ডট বলেন, এটা যে আমার সঙ্গে ঘটতে পারে এখনও আমি বিশ্বাস করতে পারছি না। এর পরও যে আমি কোনো আঘাত ছাড়াই নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পারব সেটাও বিশ্বাস হচ্ছে না। সত্যিই ভাগ্যবান মনে হচ্ছে নিজেকে।