শুক্রবার | ২৩ এপ্রিল ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • নতুন ভ্যারিয়েন্ট কানাডাকে আবৃত করে ফেলতে যাচ্ছে : ট্রুডো
  • ভ্যাকসিনেশনের গতি বাড়াতে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ : ডগ ফোর্ড
ডা. কুলবিন্দার কাউর গিল

অপেশাদারসূলভ আচরণ এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে সাবধনতা অবলম্বন না করায় ব্র্যাম্পটনের  চিকিৎসক ডা. গিলকে সতর্ক করেছে কলেজ অব ফিজিশিয়ান অ্যান্ড সার্জনস অব অন্টারিও (সিপিএসও)। ওই শিশু চিকিৎসককে তিন দফা সতর্কও করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। গত গ্রীষ্মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডা. কুলবিন্দার কাউর গিলের পোস্ট নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠে। অভিযোগগুলো তদন্তে গত ফেব্রুয়ারিতে শুনানির আয়োজন করে সিপিএসও। ডা. গিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোভিড-১৯ মহামারি নিয়ে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেছেন বলে প্রমাণিত হয়, যা স্থানীয়, প্রাদেশিক ও ফেডারেল জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের উপদেশ ও পরামর্শের বিপরীত।

ডা. গিল যেসব টুইট করেছিলেন তার মধ্যে একটি ছিল এরকম কোভিড-১৯ গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্বাস্থ্য সমস্যা নয়। এটার জন্য দীর্ঘ, ক্ষতিকর ও অযৌক্তিক লকডাউন জারি করার বৈজ্ঞানিক কোনো কারণ নেই। এ ব্যাপারে তদন্ত প্যানেলের বক্তব্য, কোনো প্রমাণ ছাড়াই ডা. গিল তার দাবিগুলো টুইটারে প্রকাশ করেছেন। তার এ বক্তব্য একেবারেই বেঠিক এবং জনস্বাস্থ্য নীতিমালার পরিপন্থী। ভ্যাকসিনের প্রয়োজন নেই বলে ডা. গিল যে বক্তব্য প্রকাশ করেছেন তার স্বপক্ষেও কোনো প্রমাণ হাজির করতে পারেননি তিনি। প্যানেল বলছে,তার এসব বিবৃতি মহামারির মাঝামাঝি সময়ে এসে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। 

কনটাক্ট ট্রেসিং, টেস্টিং ও আইসোলেশন অকার্যকর এবং কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বিপরীত ফল বয়ে আনতে পারে, এমন বক্তব্যও টুইট করেন ডা. গিল। একই টুইটে তিনি বলেন, মহামারির সঙ্গে যায় না এগুলো। যদিও ডা. গিল এসব লেখেননি বলে দাবি করেছেন। তবে প্যানেল বলছে, টুইটারে মূল পোস্ট দেওয়া বা রিটুইট করা উভয়ের অর্থই তথ্যটি সমর্থন করা।