শুক্রবার | ২৩ এপ্রিল ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • নতুন ভ্যারিয়েন্ট কানাডাকে আবৃত করে ফেলতে যাচ্ছে : ট্রুডো
  • ভ্যাকসিনেশনের গতি বাড়াতে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ : ডগ ফোর্ড
ছবি/ ট্রিপ এ্যাডভাইজার

টরন্টোতে এখনও কঠোর স্টে-অ্যাট-হোম আদেশ ও লকডাউন বলবৎ আছে। গত বছরের ডিসেম্বরের ২৬ তারিখ থেকে অন্টারিওজুড়ে লকডাউন কার্যকর হয় এবং বিপুল সংখ্যক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে পড়ে। ফোর্ড সরকার এরপর দ্বিতীয়বারের মতো জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার পাশাপাশি সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ১২ জানুয়ারি স্টে-অ্যাট-হোম অর্ডার জারি করে। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডগ ফোর্ড বলেন, আমরা অর্থনীতি খুলে দিতে চাই, বিশেষ করে উত্তর অন্টারিওর গ্রামীণ অঞ্চলে, যেখানে সংক্রমণের হার কম আছে। সেক্ষেত্রে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকারে থাকবে সুরক্ষা। প্রাদেশিক যে ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে তার মধ্যে ঢুকলে ৮ মার্চ টরন্টোর ওপর থেকে জনস্বাস্থ-সংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে পারে। টরন্টো স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিক্যাল অফিসার ডা. এইলিন দ্য ভিলা গত সপ্তাহে বলেন, বাড়িতে বসে ও সশরীরে কাজের মধ্যে একটা ভারসাম্য রাখতে হতে পারে। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণকে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরও এটা অব্যাহত রাখতে হবে হয়তো। এদিকে,  কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যেও কর্মক্ষেত্রে ফেরাকে স্বস্তিদায়ক মনে করছেন টরন্টোর ডাউনটাউন অফিস কর্মীদের ৬৪ শতাংশ। ন্যানোস পরিচালিত সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। ৫০৭ জন ডাউনটাউন কর্মীর ওপর সমীক্ষাটি চালিয়েছে ন্যানোস। এর মধ্যে ৩৮৫ জন কর্মী অফিসে বসে কাজও করছেন।

সমীক্ষার ফলাফল বলছে, মহামারি অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও ডাউনটাউন টরন্টোতে কর্মরত ৬৪ শতাংশ কর্মী কর্মক্ষেত্রে ফেরাকে স্বস্তিদায়ক মনে করছেন। তবে ডাউনটাউন অফিসকর্মীদের মধ্যে স্বস্তির মাত্রাটা একটু বেশি। তাদের ৬৮ শতাংশই অফিসে ফেরার মধ্যে কিছু না কিছু স্বস্তি খুঁজে পাচ্ছেন। 

তবে এই মুহূর্তে অফিসে ফেরার মধ্যে স্বস্তির কিছু নেই বলে মনে করছেন ডাউনটাউন টরন্টোর ১৫ শতাংশ কর্মী। ১৯ শতাংশ কর্মী এ ব্যাপারে নিরপেক্ষ অভিমত ব্যক্ত করেছেন। আর ২ শতাংশ কর্মী অফিসে ফেরার মধ্যে স্বস্তি-অস্বস্তির কিছুই বুঝতে পারছেন না।