শুক্রবার | ২৩ এপ্রিল ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • নতুন ভ্যারিয়েন্ট কানাডাকে আবৃত করে ফেলতে যাচ্ছে : ট্রুডো
  • ভ্যাকসিনেশনের গতি বাড়াতে প্রয়োজন নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ : ডগ ফোর্ড
ফাইল ছবি

কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান হারে বেড়েই চলেছে। যদিও সরকার কঠোরভবে করোনা প্রতিরোধে দিকনির্দেশনার পাশাপাশি প্রতিরোধমূলক কর্মসূচিতে নাগরিকদের ভ্যাকসিনও দেওয়া হচ্ছে। তারপরও করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। 

করোনার প্রারম্ভিক পর্যায় থেকে এখন পর্যন্ত কানাডা সরকার দেশটির নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। সরকারের প্রণোদনা ও শত চেষ্টা থাকা সত্ত্বেও নতুন করে লকডাউন জারি করায় দুই লাখের বেশি ক্ষুদ্র ব্যবসা স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে বেসরকারি খাতের ৩০ লাখ কর্মী কাজ হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছেন। মহামারির কারণে কাজ হারানো কর্মী ও যেসব অভিভাবকের বাড়িতে সন্তান আছে তাদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে সরকার। সম্প্রতি এ সহায়তার মেয়াদ বাড়িয়ে আরও ১২ সপ্তাহ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে জাস্টিন ট্রুডোর লিবারেল সরকার।  

পরিকল্পনা অনুযায়ী, কানাডা রিকভারি বেনিফিট ও কানাডা রিকভারি কেয়ারগিভিং বেনিফিটের আওতায় সাপ্তাহিক ৫০০ ডলার করে আর্থিক সহায়তা ২৬ সপ্তাহের পরিবর্তে ৩৮ সপ্তাহ দেওয়া হবে।

অসুস্থতাজনিত আর্থিক সহায়তার মেয়াদও বর্ধিত করা হচ্ছে। কোভিড-১৯ এর কারণে কেউ অসুস্থ্য হলে বা বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার প্রয়োজন পড়লে তিনি দুই সপ্তাহের পরিবর্তে চার সপ্তাহ সিকনেস বেনিফিট প্রাপ্য হবেন। পাশাপাশি ইন্স্যুরেন্স বেনিফিটের আওতায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিক থেকে যারা আবেদন করেছেন তারাও বিদ্যমান ২৬ সপ্তাহের পরিবর্তে ৫০ সপ্তাহের জন্য সুবিধা পাওয়ার যোগ্য হবেন।

আগামী সপ্তাহে সরকারি সহায়তা বন্ধ হওয়া নিয়ে যারা উদ্বেগে ছিলেন তাদের জন্য এটা বিরাট স্বস্তির খবর বলে জানান কানাডিয়ান লেবার কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট হাসান ইউসুফ। সেই সঙ্গে সরকারের এ আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি এ বছরের শেষ পর্যন্ত চালু রাখারও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

হাসান ইউসুফ বলেন, সরকার বাজেটের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ অবস্থায় কর্মসংস্থান মহামারি-পূর্ব অবস্থানে না ফেরা পর্যন্ত তাদের জন্য কি ধরনের সহায়তা থাকছে সরকারের তরফ থেকে সে ব্যাপারে ঘোষণা থাকা উচিত।

নতুন করে লকডাউন কারণে কানাডার শ্রমবাজারকে গত আগস্টে যে অবস্থানে ছিল সেখানে ঠেলে দিয়েছে। এর ফলে মহামারি-পূর্ব সময়ের চেয়ে কর্মসংস্থানে ঘাটতি রয়েছে ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৩০০।