রবিবার | ৭ মার্চ ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • ৮ মার্চ টরন্টোর ওপর থেকে জনস্বাস্থ-সংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হতে পারে
  • নকল এড়াতে ভ্যাকসিন সরবরাহ ব্যবস্থা সতর্কতার সঙ্গে দেখভাল করছে কানাডা
ছবি টোটাল ফাইনান্স এর সৌজন্যে

করোনা মহামারির কারণে চাকুরি হারিয়েছেন বা আয় কমে গেছে- এমন নাগরিকদের সহযোগিতা দিতে ফেডারেল সরকার নানা ধরনের সহযোগিতা দিয়েছে।এর মধ্যে সিইআরবি হচ্ছে সবচেয়ে বড় আর্থিক সহযোগিতা।  এক ঘোষণায় সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, 

কানাডা ইমার্জেন্সি রেসপন্স বেনিফিটের (সিইআরবি) আওতায় ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থ ফেরত দিতে হচ্ছে না তাদেরকে। ২০১৯ সালে ন্যূনতম ৫ হাজার ডলার আয় ছিল, করোনার কারণে চাকুরি হারিয়েছেন বা আয় কমে গেছে তারাই সিইআরবির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবে বলে সরকারের তরফ থেকে ঘোষণা দেওয়া হলেও এ নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। এক গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের সময় নাগরিকদের সহায়তা দিতে চাইল্ড ট্যাক্স বেনিফিট খাতে যে বাড়তি অর্থ দেয়া হয়েছে তার অন্তত ৫০০ মিলিয়ন ডলার গেছে উচ্চ আয়ের পরিবারে। সিইআরবির ২২ বিলিয়ন ডলারের বেশি পেয়েছে যাদের বাৎসরিক আয় ১০০ হাজার ডলারের বেশি।  মঙ্গলবার এক ঘোষণায় সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, সিইআরবির আওতায় আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত যেসব কানাডিয়ান নিট আয়ের বদলে গ্রস আয়ের ভিত্তিতে অর্থ সহায়তা পেয়েছিলেন তাদেরকেই তা ফেরত দিতে হবে না। 

যদিও অর্থ ফেরত দেওয়া থেকে কেউই অব্যাহতি পাবে না বলে আগে জানানো হয়েছিল। তাই অন্যদেরকেও অর্থ ফেরত দেওয়ার প্রয়োজন হবে কিনা সেটি এখনও অমীমাংসিতই রয়ে গেছে। কারণ, সরকারের মঙ্গলবারের ঘোষণাটি এসেছে সুনির্দিষ্ট একটি সমস্যাকে ঘিরে।

কর্মসংস্থানমন্ত্রী কার্লা কুয়ালট্রো এদিন বলেন, আমরা এখানে সিইআরবির জন্য আবেদনকারী সেইসব কানাডিয়ানের বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি, যারা আমাদের সরবরাহ করা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বৈধভাবে, সৎ উদ্দেশে আবেদন করেছিলেন। এ সমস্যাটিই আমরা এখন সমাধান করছি। 

৫ হাজার ডলার আয় করা আত্মকর্মসংস্থানে নিয়োজিত আবেদনকারীরা কানাডা রেভিনিউ এজেন্সির নির্দেশনায় বিভ্রান্তিতে পড়ে যান। আয়ের হিসাব করসহ নাকি কর বাদ দিয়ে করতে হবে তা নিয়েই মূলত বিভ্রান্তিটি তৈরি হয়। সরকারের তরফ থেকেও শুরুর দিকে বিভ্রান্তিমূলক উত্তর দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে অবশ্য বলা হয়, হিসাবটি দিতে হবে নিট আয়ের। অর্থাৎ কর পরবর্তী আয়। এরপর অর্থপ্রাপ্তির যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুবিধাভোগী ৪ লাখ ৪১ হাজার কানাডিয়ানের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। সিইআরবির আওতায় প্রাপ্ত অর্থ ফেরত দিতে হতে পারে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয় সে সময়।