রবিবার | ৭ মার্চ ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • ৮ মার্চ টরন্টোর ওপর থেকে জনস্বাস্থ-সংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হতে পারে
  • নকল এড়াতে ভ্যাকসিন সরবরাহ ব্যবস্থা সতর্কতার সঙ্গে দেখভাল করছে কানাডা
ছবি রেডিও কানাডার সৌজন্যে

মার্চের শেষ নাগাদ ৩ কোটি নাগরিককে ভ্যাকসিন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে কানাডার। জুনের শেষে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনা হবে আরও এক কোটি কানাডিয়ানকে। এরপর সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ চাইলে যে কেউ ভ্যাকসিনটি নিতে পারবেন।  এদিকে, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন অনুমোদন দিতে যাচ্ছে হেলথ কানাডা। এটি হবে তৃতীয় ভ্যাকসিন, এখন পর্যন্ত যা ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে হেলথ কানাডা। পাশাপাশি চতুর্থ ভ্যাকসিন অনুমোদন দিতেও খুব বেশি সময় লাগবে না বলে হেলথ কানাডার কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন।

হেলথ কানাডার প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা এরিক মরিসেটে শুক্রবার বলেন, অ্যাস্ট্রাজেনেকার আবেদনটি ১ অক্টোবর থেকে পর্যালোচনা করে দেখছে এ-সংক্রান্ত কমিটি। অনুমোদনের আগে এখন তারা অ্যাস্ট্রাজেনেকার কাছ থেকে উৎপাদন প্রক্রিয়া-সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছে। 

ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন চেয়ে কানাডায় প্রথম আবেদন করে অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং শুক্রবার পর্যন্ত পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ যুক্তরাজ্য, মেক্সিকো ও ভারত এটির অনুমোদন দিয়েছে।

হেলথ কানাডার চিফ মেডিকেল অ্যাডভাইজার ডা. সুপ্রিয়া শর্মা এ মাসের গোড়ার দিকে বলেছিলেন, ট্রায়ালে কিছু স্বেচ্ছাসেবক অ্যাস্ট্রাজেনেকার অর্ধেক ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ায় এটি পর্যালোচনা করা কিছুটা জটিল।

এরপর যুক্তরাজ্যে বড় পরিসরে ট্রায়াল চললেও মরিসেটে বলেন, মার্চ পর্যন্ত ট্রায়ালের ফলাফল পাওয়া যাবে না এবং হেলথ কানাডা সব ক্লিনিক্যাল ডাটা প্রয়োজন বলে মনে করছে।

জনসন অ্যান্ড জনসন তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল ঘোষণার পর চতুর্থ ভ্যাকসিন অনুমোদনের বিষয়টিও সামনে চলে এসেছে। সিঙ্গেল ডোজের ভ্যাকসিনটির অনুমোদন চেয়ে গত ৩০ নভেম্বর হেলথ কানাডার কাছে আবেদন জমা দেয় জনসন অ্যান্ড জনসন। হেলথ কানাডা সর্বপ্রথম অর্থাৎ ৯ ডিসেম্বর ফাইজার-বায়োএনটেকের ভ্যাকসিন অনুমোদন দেয়। এর কিছুদিন পর ২৩ ডিসেম্বর অনুমোদন দেয় মডার্নার ভ্যাকসিন। উভয় ক্ষেত্রেই তৃতীয় ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশের তিন সপ্তাহ পর অনুমোদন দেয় হেলথ কানাডা।