রবিবার | ৭ মার্চ ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • ৮ মার্চ টরন্টোর ওপর থেকে জনস্বাস্থ-সংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হতে পারে
  • নকল এড়াতে ভ্যাকসিন সরবরাহ ব্যবস্থা সতর্কতার সঙ্গে দেখভাল করছে কানাডা
ছবি সিটিভি নিউজের সৌজন্যে

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়াতে করোনা মহামারির দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি, সরকার কর্তৃক বিভিন্ন বিধিনিষেধ দেয়া সত্বেও করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে রাখা যাচ্ছে না। কুইবেকের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ক্রিশ্চিয়ান ডুবে নাগরিকদের সতর্ক করে বলেছেন, অনেক হাসপাতালেই রোগী ধারণের সক্ষমতা ছাড়িয়ে গেছে। এ কারণে হোটেল ও রিসেপশন হলগুলোতে কোভিড রোগীদের জন্য বিশেষ বেড স্থাপন করা হচ্ছে। এদিকে,  টরন্টো সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আইলিন ডি ভিলা জানিয়েছেন, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি বেগতিক বা সেটির অবনতি ঘটলে হাসপাতালগুলোতে যে আইসিইউ বা নিবিড় পরিচর্যার শয্যা রয়েছে, তা পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে। তার ভাষায়, টরন্টোয় করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি যদি সংখ্যাগতভাবে একে নেমে আসে, অর্থাৎ গড়ে একজন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে আক্রান্ত করে, তা হলে সেই মহামারি পরিস্থিতি বাড়ছে না বলেই বোঝা যাবে; তবু নিবিড় পরিচর্যার শয্যাগুলো জানুয়ারি মাস শেষেই নিঃশেষ হবে।

জানা গেছে,  টরন্টোর হাসপাতালগুলোতে কোভিড-১৯ রোগির জন্য মোট নিবিড় পরিচর্যার শয্যা সংখ্যা হচ্ছে ১৬৪ এবং তাতে ভেন্টিলেটরের সংখ্যা রয়েছে ১২৮। তারপরও সম্মিলিতভাবে টরন্টোর হাসপাতালে আরও ৯৪টি নিবিড় পরিচর্যার শয্যা রয়েছে, যার এক চতুর্থাংশ সিক চিল্ড্রেন হাসপাতালে অবস্থিত।

এতে এ বিষয়টি সুস্পষ্ট যে, ডা. আইলিন ডি ভিলা যে সংকট পরিস্থিতির মডেল তুলে ধরেছেন, সেক্ষেত্রে কোভিড-১৯ সংক্রমিত রোগির সংখ্যা ২০০ অতিক্রম করলে, প্রায় সব হাসপাতালই শয্যা সংকটে উপনীত হবে। আর সেটাই ঘটতে চলেছে টরন্টো সিটির অধিকাংশ হাসপাতালে।