রবিবার | ৭ মার্চ ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • ৮ মার্চ টরন্টোর ওপর থেকে জনস্বাস্থ-সংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হতে পারে
  • নকল এড়াতে ভ্যাকসিন সরবরাহ ব্যবস্থা সতর্কতার সঙ্গে দেখভাল করছে কানাডা
কানাডায় সতর্কতার মধ্যেই করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে

: ২২ জানুয়ারী ২০২১ | দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক |

ফাইল ছবি

কানাডার প্রধান চার প্রদেশ অন্টারিও, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, আলবার্টা ও কুইবেকেও করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রদেশে কড়াকড়ি নজরদারিও চলছে। লোক সংখ্যার দিক থেকে কানাডার বৃহওম প্রদেশ অন্টারিওতে প্রতিদিনই প্রচুরসংখ্যক করোনা আক্রান্ত রোগীর খবর পাওয়া যাচ্ছে। ইতোমধ্যেই প্রতীক্ষিত ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হয়েছে কানাডায়। তবুও করোনা নিয়ন্ত্রণে অনেক ক্ষেত্রেই হিমশিম খেতে হচ্ছে নীতিনির্ধারকদের। কানাডায় আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে গত ১৪ ডিসেম্বর থেকে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন বর্তমান পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিনের পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই।  

কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে কড়াকড়ি নজরদারিও চলছে। লোক সংখ্যার দিক থেকে কানাডার বৃহওম প্রদেশ অন্টারিওতে প্রতিদিনই প্রচুরসংখ্যক করোনা আক্রান্ত রোগীর খবর পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া অন্টারিওবাসীকে বাড়িতে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। অস্বাভাবিক সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকায় এই নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছেন অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড। কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় করোনা মহামারীর দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বেড়েই চলেছে। ভয়াবহ এই পরিস্থিতিতে বিভিন্ন প্রদেশে ইতিমধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ বিভিন্ন নিয়মকানুন চলমান রয়েছে।

গত ২৫ ডিসেম্বর থেকে কুইবেকে আবার লকডাউন শুরু হয়েছে। একমাত্র জরুরি ফার্মেসি, গ্রোসারি ছাড়া সব বন্ধ। কুইবেকের জনসাধারণকে বলা হয়েছে, একান্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া গ্রোসারি স্টোরগুলোতে কেউ যেন একই দিনে বারবার ছোটখাটো পণ্য ক্রয়ে না যান এবং রেস্টুরেন্টগুলো শুধু টেকআউট ও ড্রাইভ থ্রো খোলা থাকবে।

সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা সাত লাখ ২৫ হাজার ৪৯৫ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন ১৮ হাজার ৪৬২ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ছয় লাখ ৩৮ হাজার ৬২০ জন।