বুধবার | ২০ জানুয়ারী ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সীমান্তে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বাড়ল
  • কানাডায় করোনা সংক্রমণ উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে
এ সময় অনাবশ্যক ভ্রমণ না করাটা সত্যিই খুব গুরুত্বপূর্ণ : ট্যাম

: ৮ জানুয়ারী ২০২১ | দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক |

ডা. থেরেসা ট্যাম

করোনাভাইরাসের নতুন ধরনের সংক্রমণ রোধে সতর্ক রয়েছে কানাডা। এ সতর্কতার মধ্যেই কানাডায় নতুন ধরনের ভাইরাসে আক্রান্ত ৯ জনের সন্ধান পাওয়া গেছে। দেশটির প্রধান জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. থেরেসা ট্যাম বলেছেন, সব সময়ই ভাইরাসের মিউটেশন হতে পারে। এর ফলে ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা বাড়তে পারে কিংবা অন্য ধরনের বৈশিষ্ট ধারণ করতে পারে। এটা কেবল যুক্তরাজ্যে নয়, বিশ্বের যেকোনো স্থানেই হতে পারে। এ অবস্থায় অনাবশ্যক ভ্রমণ না করাটা সত্যিই খুব গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন,  সামনের কয়েকটা মাস কানাডার জন্য সত্যিই কঠিন হবে। এ অবস্থায় বিদেশ থেকে সংক্রমণ বয়ে আনা ও কোভিড-১৯ বিস্তারের ঝুঁকি প্রশমনে কাজ করা এখন সবচেয়ে জরুরি।

 তিনি বলেন, যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকা ফেরতদের কানাডায় প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে আলাদা করে ফেলা হবে। তবে একটি দেশকে বেশি গুরুত্ব না দিয়ে সামগ্রিক স্বাস্থ্যবিধির দিকে মনোযোগ দেওয়াই বেশি ভালো। তবে এটা সত্য যে, কিছু দেশ আছে যারা করোনাভাইরাসের নতুন ধরণ সনাক্তে অন্যদের চেয়ে বেশি সক্ষম।

মহামারির শুরু থেকে কানাডা করোনাভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্সিং করে আসছে এবং প্রতি ১০০ আক্রান্তের বিপরীতে পাঁচটির জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হয়েছে এ পর্যন্ত। ফেডারেল ও প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে বর্তমানে এতে গতি আনা হয়েছে বলে জানান ডা. তেরেসা ট্যাম। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে সনাক্ত হওয়া ভাইরাসটির মাধ্যমে সংক্রমণ যদি বাড়তে থাকে তাহলে বাড়তি পদক্ষেপ নিতে হতে পারে। দ্রুত বাড়তে থাকা সংক্রমণ থামাতে কমিউনিটিভিত্তিক পদক্ষেপ সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। দেশজুড়ে সংক্রমণ থামাতে কানাডিয়ানদের সামনে কঠিন কাজ অপেক্ষা করছে। 

যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকায় যে নতুন ধরনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে তা আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এদিকে, যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে একটি নতুন ধরনের এবং অধিক সংক্রামক করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করছে। জার্মানি, ইতালি, বেলজিয়াম, আয়ারল্যান্ড, তুরস্ক, কানাডা এবং ভারতসহ বিশ্বের অন্তত ৪০টি দেশ এ পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিমান চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।