বুধবার | ২৫ নভেম্বর ২০২০ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • ১০০ বছর আগে চুরি যাওয়া মূর্তি ভারতকে ফিরিয়ে দিচ্ছে কানাডা
  • কানাডার টরন্টো ও পিল অঞ্চলে লকডাউন ঘোষণা
নাগরিকদের জন্য প্রণোদনা অব্যাহত রেখেছে কানাডার ফেডারেল সরকার

: ২০ নভেম্বর ২০২০ | দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক |

কানাডার প্রধান চারটি প্রদেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে

কানাডার প্রধান চারটি প্রদেশ অন্টারিও, ব্রিটিশ কলম্বিয়া, আলবার্টা এবং কুইবেকে নাটকীয়ভাবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। আর করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে হাসপাতাল, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ব্যাপকহারে চাপ পড়ছে। এদিকে, কানাডা সরকার কোভিড-১৯ এর কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অস্থায়ী আয়ের সহায়তার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে তাদের সহায়তা অব্যাহত রাখতে সরকার, রাজস্ব সংস্থা (সিআরএ) প্রদান করে নতুন তিনটি সুবিধা চালু করেছে। সুবিধাগুলো হলো- কানাডা রিকভারি বেনিফিট (সিআরবি), কানাডা রিকভারি অসুস্থতা বেনিফিট (সিআরএসবি) এবং কানাডা রিকভারি কেয়ারগিভিং বেনিফিট (সিআরসিবি)। সিআরএসবি এবং সিআরসিবি-র জন্য আবেদনগুলি ইতোমধ্যে ৫ অক্টোবর খোলা হয়েছে। সরকার মহামারীর শুরু থেকেই ফেডারেল সরকার দেশটির নাগরিকদের স্বাস্থ্যের দিক বিবেচনা করে একের পর এক প্রণোদনা দিয়ে আসছে। শুধু তাই নয় ব্যবসা বাণিজ্যেও ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দেয়া হচ্ছে প্রণোদনামূলক ঋণ। করোনা প্রাদুর্ভাবের পর জরুরি অর্থ সহায়তার অংশ হিসেবে কানাডার মোট জনসংখ্যার ১২ শতাংশকে প্রতি মাসে জরুরি নগদ অর্থ সহায়তা দিয়ে আসছে সরকার। সম্প্রতি করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনৈতিক ক্ষেত্রগুলোও নিম্নবিত্ত জনগোষ্ঠীকে সহায়তার জন্য অন্টারিওকে ৬১৪ মিলিয়ন ডলার নতুন তহবিলের বরাদ্দ দিয়েছে কানাডার ফেডারেল সরকার। এ অর্থ দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থান বিষয়ক কাউন্সেলিংয়ের জন্য ব্যয় করা হবে। উল্লেখ্য, কানাডায় করোনা মহামারীর দ্বিতীয় পর্যায়ে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা কমছে না, বরং উদ্বেগজনকহারে বাড়ছে। কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে ক্রমবর্ধমানহারে করোনাভাইরাস বেড়েই চলেছে। সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি, সরকার কর্তৃক বিভিন্ন বিধিনিষেধ দেয়া সত্ত্বেও করোনাভাইরাসকে কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রিত করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন প্রদেশের বাসিন্দারা আশঙ্কার মধ্য দিয়ে দিনযাপন করছেন।