বুধবার | ২৫ নভেম্বর ২০২০ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • ১০০ বছর আগে চুরি যাওয়া মূর্তি ভারতকে ফিরিয়ে দিচ্ছে কানাডা
  • কানাডার টরন্টো ও পিল অঞ্চলে লকডাউন ঘোষণা
কে বড়?

: ১৯ নভেম্বর ২০২০ | আব্দুল হালিম মিয়া |

আমেরিকার প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা ভারসাম্য মুলক। এমনই ভারসাম্য মুলক যে ক্ষমতা প্রয়োগ ও আর্থিক বিষয়ের জন্য তাকে দেশের জাতীয় সংসদের নিম্নকক্ষ মানে কংগ্রেস এবং উচ্চ কক্ষ সিনেটের উপর নির্ভরশীল থাকতে হয়। মুলত যে কোন মানুষের ক্ষমতা প্রয়োগ ও রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ ব্যয়ের আনলিমিটেড সুযোগ থাকলে তিনি স্বেচ্ছাচারী হয়ে উঠতে বাধ্য।

মেক্সিকোর সাথে আমেরিকার বিশাল বর্ডার। সেখানে সুউচ্চ দেয়াল তৈরী করে দিলে অবৈধ ইমিগ্রান্ট ও সন্ত্রাসী এবং মাদক পাচার বন্ধ হবে বলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশ্বাস এবং সে কারনেই তার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ছিল দেয়াল করার। এটা করতে লাগবে আনুমানিক পাঁচ বিলিয়ন ডলার। সেই টাকা ইচ্ছে করলেই ট্রাম্প দিতে পারবে না। লাগবে সংসদের উভয় কক্ষের অনুমোদন। এই সংসদের সবাই তার দলের নয়, দলের হলেও সকলেই সব বিষয়ে একমত নাও হতে পারেন। নীচের কমেন্ট বক্সে লিংক দিলাম। দেখুন বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতা ধর মনে করা ব্যক্তি প্রকৃতপক্ষে আমেরিকার সিস্টেমের উপর কতখানি অসহায়। মেক্সিকোর সাথে দেয়াল তুলতে টাকা লাগবে, সেটার জন্য সংসদের দুই কক্ষের দুই বিরোধী দলের নেতা নেন্সী পেলোসী এবং চাক সুমারকে হোয়াইট হাউসে ডাকা হয়। ক্যামেরার সামনে, মিডিয়ার সামনে প্রেসিডেন্টের সাথে কিভাবে তর্ক করছে এই বিরোধী দলের দুই নেতা, কিভাবে মুখের উপর ভিন্নমত প্রকাশ করছে তা দেখে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। মিডিয়ার সামনে যদি এমন হতে পারে, প্রকৃত বৈঠকে না জানি কি হয়েছে!

স্মরণ রাখতে হবে দৃঢ়তার সাথে ভিন্নমত প্রকাশ করা, নীতির প্রশ্নে না শব্দ উচ্চারণ করা আর বেয়াদবী করা এক নয়। ভিডিওটি দেখুন, যারা শেখার শিখতে পারবেন।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বড় নন, বড় তাদের সিস্টেম। যে কারনেই সেখানে কেউ স্বৈরাচার হতে পারেন না, হবার সুযোগ নেই।