রবিবার | ৭ মার্চ ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • ৮ মার্চ টরন্টোর ওপর থেকে জনস্বাস্থ-সংক্রান্ত কিছু বিধিনিষেধ প্রত্যাহার হতে পারে
  • নকল এড়াতে ভ্যাকসিন সরবরাহ ব্যবস্থা সতর্কতার সঙ্গে দেখভাল করছে কানাডা
টরন্টোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অনেক এলাকায় সংক্রমণ উচ্চমাত্রায় বাড়ছে

: ৯ নভেম্বর ২০২০ | দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক |

কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সবকিছু ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে থাকলেও করোনা সংক্রমণ থামছে না। সর্বপ্রথম কানাডায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে ব্রিটিশ কলম্বিয়ায়। এরপর অন্যান্য প্রদেশে। পুরো কানাডায় শুরু থেকেই নানা ধরনের সতর্কতামূলক কর্মসূচি হাতে নেওয়া হলেও এর বিস্তার এখনো কমেনি। বিশেষ করে সম্প্রতি টরন্টোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় অনেক এলাকায় সংক্রমণ উচ্চমাত্রায় বাড়ছে। অনেক এলাকায় কোভিড-১৯ পরীক্ষা কম হলেও কিছু এলাকায় কোভিড-১৯ এ আক্রান্তের হার ১০ শতাংশের কাছাকাছি পৌঁছেছে বা ছাড়িয়ে গেছে। এর মধ্যে ব্ল্যাক ক্রিকে আক্রান্তের হার ১০ দশমিক ৮, হাম্বারমেডে ৯ দশমিক ৯ দশমিক ৬, গ্লেনফিল্ড-জেন-হাইটসে ৮ দশমিক ৮ ও ব্রুখাভেন-আমেসবারিতে ১২ শতাংশে পৌঁছেছে। বলতে গেলে, আক্রান্তের হার বেশি এমন পাঁচটি এলাকার চারটির অবস্থানই টরন্টোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। ব্যতিক্রম কেবল স্কারবোরোর ইগলিঙ্কটন ইস্ট, যেখানে আক্রান্তের হার ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহের দিকে চোখ ফেরালে দেখা যাবে, টরন্টোর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় নেবারহুডে কোভিড-১৯ সনাক্তের হার ছিল ১৪ দশমিক ৩ শতাংশ। এখানে লক্ষ্যণীয় দিক হলোÑনেবারহুডটিতে পরীক্ষার হারও খুবই কম, প্রতি হাজারে ১৩ দশমিক ৭। তবে ৪ অক্টোবর শুরু হওয়া সপ্তাহে রাস্টিকে পরীক্ষার হার আরও কমে প্রতি হাজারে ৯ দশমিক ৯-এ দাঁড়িয়েছে। তবে সনাক্তের হার-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। কারণ কোনো নেবারহুডে পাঁচজনের কম মানুষ আক্রান্ত হলে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার স্বার্থে টরন্টো পাবলিক হেলথ সেই তথ্য প্রকাশ থেকে বিরত থাকে।