এখন মশা মারার নির্দেশ আসে লন্ডন থেকে: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

২ আগস্ট ২০১৯


এখন মশা মারার নির্দেশ আসে লন্ডন থেকে: জাফরুল্লাহ চৌধুরী

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালে ডেঙ্গু একটি বৈশ্বিক আপদে পরিণত হয়েছে। এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও অন্যান্য মহাদেশের ১১০টির অধিক দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব হয়। প্রতি বছর পাঁচ থেকে পঞ্চাশ কোটি মানুষ ডেঙ্গুতে সংক্রমিত হয় এবং তাদের মাঝে দশ থেকে বিশ হাজারের মতো মারা যায়। ১৭৭৯ সালে ডেঙ্গুর প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়। বিংশ শতকের প্রথমভাগে ডেঙ্গুর ভাইরাস উৎস ও সংক্রমণ বিশদভাবে জানা যায়।

মশক নিধনই বর্তমানে ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায়। সরাসরি ডেঙ্গু ভাইরাসকে লক্ষ্য করে ওষুধ উদ্ভাবনের গবেষণা চলমান রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে ডেঙ্গু প্রায় মহামারি রূপ ধারণ করেছে। আর এই ডেঙ্গু নিয়ে বিশেষ বিশেষ ব্যক্তিরা একটার পর একটা বিস্ফোরক মন্তব্য করে যাচ্ছেন।

বুধবার (৩১ জুলাই) সময় সম্পাদকীয়তে এসে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীও ডেঙ্গু প্রসঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, 'ডেঙ্গুর প্রকোপ যেভাবে বাড়ছে এটা খুবই খারাপ। কিন্তু এর একটা ভালো দিকও আছে।'

তিনি বলেন, ‘আর সেই ভালো দিকটি হলো দেশের দুটি রাজনৈতিক দলকে কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। আগে বিএনপির ওহি আসতো লন্ডন থেকে। এখন মশা মারার নির্দেশ আসে লন্ডন থেকে। কিভাবে মশা মারা হবে, মারতে হবে তার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী লন্ডন থেকে পাঠাচ্ছেন।’

এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা খুবই ভালো দেন কিন্তু তার নির্দেশনা কোনো কাজে আসছে না। শুনতে খারাপ লাগলেও প্রধানমন্ত্রী ৪ বছর ধরে গ্রামগঞ্জে চিকিৎসক পাঠাতে চেয়েছেন। কত বলে দিয়েছেন কিন্তু যায়নি।’

প্রধানমন্ত্রী দেশে নেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী সবার ছুটি বাতিল করে নিজে পরিবারসহ মালয়েশিয়া চলে গেছেন। প্রধানমন্ত্রী কত জায়গায় পাহারা দেবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।'