‘আমায় ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেলে, বুঝবেন আত্মহত্যা করিনি’

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০


‘আমায় ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেলে, বুঝবেন আত্মহত্যা করিনি’

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুকে ঘিরে নানা রকমের তথ্য উঠে আসছে একের পর এক। এখনো প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে সত্যিই কি অভিনেতা আত্মঘাতী হয়েছেন? নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোন রহস্য? ঘটনায় রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন সুশান্তের বাবা। তার অভিযোগ রিয়া সুশান্তকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দিয়েছেন এবং প্রতারণা করেছেন। এর সঙ্গেই আরো একটি তথ্য উঠে আসছে। মনে করা হচ্ছে মৃত্যুর আগের রাতে সুশান্তের বাড়ির পার্টিতে ছিলেন কোন নামকরা ব্যক্তিত্ব। সংবাদমাধ্যম পিনকভিলা এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কিন্তু তিনি কে এখনো সেই ব্যাপারে কোন কিছু জানা যায়নি।

সেই প্রসঙ্গেই কঙ্গনা রানাউত ট্যুইট করে জানিয়েছেন, তাঁর বাড়িতে যদি কখনো তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়, তাহলে যেন সেটিকে আত্মহত্যা বলে ধরে নেওয়া না হয়। কঙ্গনা রানাউতের টিম এই প্রসঙ্গে টুইট করেছেন, ” সবাই জানে। কিন্তু কেউ তার নাম নেবে না। সে করণ জোহরের বেস্ট ফ্রেন্ড, পৃথিবীর সেরা মুখ্যমন্ত্রীর সেরা ছেলে, ভালোবেসে তাকে ছোট্ট পেঙ্গুইন বলে ডাকা হয়। কঙ্গনা ও বলেছেন, আমায় যদি ঝুলন্ত অবস্থায় বাড়ি থেকে পাওয়া যায়, বুঝবেন আমি আত্মহত্যা করিনি।”

সুশান্তের ঘটনায় এই নতুন মোড় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। কোন নামজাদা ব্যক্তিত্ব সেই রাতে উপস্থিত ছিলেন তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। কিন্তু এখনো কোনো কিছুরই কিনারা করতে পারেনি মুম্বই পুলিশ।

সম্প্রতি কঙ্গনা জানিয়েছেন, তিনি মনে করছেন আসল মুভি মাফিয়াদের দিক থেকে নজর ঘোরানোর জন্য রিয়াকে বলির পাঁঠা করা হচ্ছে না তো? কারণ রিয়ার একমাত্র নির্ভর করার মতন জায়গা ছিল সুশান্ত। কঙ্গনা রানাউতের টিম একটি টুইট করে বলছে, “রিয়া যে অর্থলোভী তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। কিন্তু তার অর্থের একমাত্র উৎস ছিলেন সুশান্ত। সুশান্তকে খুনের পর রিয়া সোজা আক্তার দের বাড়ি গেল। কেন? সুশান্তকে খুন করার পিছনে কি ওর যথেষ্ট কারণ রয়েছে? নাকি মাফিয়ারা ওকে ব্যবহার করেছে মাত্র? সুইসাইড গ্যাং ওকে বলির পাঠা করছে না তো?”

মঙ্গলবার রাজীব নগর থানায় সুশান্তের বাবা রিয়া ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। জানা যাচ্ছে ভারতীয় দণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি ধারায় তিনি অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানিয়েছেন পুলিশ আধিকারিক সঞ্জয় কুমার সিং। সূত্র: কলকাতা ২৪