বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে দ্বিধাগ্রস্থ বাবা-মা

১১ সেপ্টেম্বর ২০২০


বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে দ্বিধাগ্রস্থ বাবা-মা

হঠাৎ করে অন্টারিও প্রদেশে করোনার প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় টরন্টো সিটির নানা জাতিগোষ্ঠির এলাকায় বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে দ্বিধাগ্রস্থ তাদের বাবা-মা। এমন আশংকাপূর্ণ নমুনা চিত্রই দৃশ্যমান থর্নক্লিফ পার্ক ও উইন্ডামেয়ার এলাকায়। এতে থর্নক্লিফ পার্ক পাবলিক স্কুলের ১৪০০ ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে মাত্র ৫৭ শতাংশ, অর্থাৎ ৯১০ জন সরাসরি এবং ৩৪ শতাংশ অনলাইন ক্লাসে যোগ দিচ্ছে বলে জানিয়েছে। আবার উইন্ডামেয়ার ও বিচেস এলাকায় সে সংখ্যা অনুপাত ৮০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে যাবে বলে জানিয়েছে। তবু আশংকা থাকছে ক্লাস সাইজ নিয়ে; আদৌ কী সেখানে একটি ক্লাসে ৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী যোগ দিচ্ছে, যা করোনাপূর্ব পরিস্থিতির।

তথাপি টরন্টো ডিস্ট্রিক্ট স্কুল বোর্ডের অধীনে ৮০টি স্কুলের মাঝে ৩৯টি স্কুলেই অর্ধেকেরও কম সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী যোগ দিচ্ছে বলে এক পর্যবেক্ষণে বেরিয়ে এসেছে। তাতে ধারণা, ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ স্কুলে প্রতি ৩ জনের ১ জন অনলাইন ক্লাসে যোগ দেবে। একইভাবে জেইন-ফিঞ্চ এলাকার ছয়টি এলিমেন্টারি ও মিডল স্কুলে গড়ে ৪০-৪৭ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী যোগ দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বাকীরা অনলাইনে ক্লাসে যোগ দেবে।

এসব সত্তে¡ও অনলাইনে ক্লাসে যোগ দেবার সামর্থ্য অনেকাংশে নির্ভর করছে মাথাপিছু পারিবারিক আয়ের উপর। যেসব এলাকায় জাতিগোষ্ঠির পারিবারিক আয়, অর্থাৎ টরন্টোর গড়পড়তা আয় হচ্ছে ৬৫,৮২৯ ডলার, সেই পরিবারগুলো তীব্র ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত। এসব এলাকায় প্রায় ২০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রীর স্কুলের পাঠ্যক্রম যথাযথভাবে অনুসরণ দুরূহ। অর্থাৎ তাদের সরাসরি ক্লাসে যাওয়া কিংবা অনলাইনে যোগদান সমস্যাসংকুলই থাকছে।