অসহায় আত্মসমর্পণ তামিমের

১ আগস্ট ২০১৯


অসহায় আত্মসমর্পণ তামিমের

শেষ ম্যাচেও কোনো প্রকার প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি বাংলাদেশ। না বোলিংয়ে না ব্যাটিংয়ে। দুই বিভাগেই স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার কাছে এক প্রকার উড়ে গেছে টাইগাররা। ফলাফল তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ। বুধবার কলম্বোর তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছে ১২২ রানে। বড় হারে লজ্জায় শেষ হলো বাংলাদেশের লঙ্কা মিশন। সিরিজ হার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল কলম্বোর আগের ম্যাচেই। তিন ম্যাচের সিরিজে টানা দুই ম্যাচ হেরে যাওয়ায় হোয়াইটওয়াশ হওয়ার শঙ্কা চোখ রাঙাচ্ছিল। বুধবারের ম্যাচে হতাশা ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর সঙ্গে শেষটা অন্তত জয় দিয়ে রাঙিয়ে দেশে ফেরার সুযোগ ছিল টাইগারদের সামনে। কিন্তু উল্টো দেখা গেল ব্যর্থতার একই দৃশ্য। সাদামাটা বোলিংয়ে শ্রীলঙ্কার নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে সংগহ করলো ২৯৪। ২৯৫ রানের জবাবে বাংলাদেশ ৩৬ ওভারেই অলআউট ১৭২ রানে।  এ নিয়ে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে টানা দ্বিতীয়বার হোয়াইটওয়াশ হওয়ার লজ্জায় ডুবলো তামিমরা। বছরের শুরুতে নিউজিল্যান্ড সফরেও তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল বাংলাদেশ। অন্যদিকে ২০১৪ সালের পর আবার শ্রীলঙ্কার কাছে হোয়াইটওয়াশ হতে হলো তাদের।

এদিকে, দলের ব্যর্থতার দায় শুরু থেকেই নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তামিম। বুধবার তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার পরও আরেকবার সেই দায় নিলেন। আর নিজেকে নিয়ে বলতে গিয়ে তো অসহায় আত্মসমর্পণ তামিমের। বললেন, আপাতত কটা দিন দূরে থাকতে চান ক্রিকেট থেকে। এরপর চাঙা হয়ে ফিরে আসতে চান এই ড্যাশিং ওপেনার।

শ্রীলঙ্কা সফরে তিন ম্যাচে তামিমের মোট রান- ২১ ।

ইনিংস তিনটি এমন ০, ১৯ ও ২।

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তামিমকে যখন প্রশ্ন করা হয় তার ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স নিয়ে, তামিম ব্যর্থতা মেনে নেন। এভাবে বলেন, ‘আমি শুধু নিজেকে হতাশ করেছি, সেটি বিশ্বকাপ থেকেই। এমন না যে আমি চেষ্টা করিনি। আমি আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। সম্ভবতা সেটাও যথেষ্ট ছিল না।’

এরপরই তামিম বললেন, ‘আত্মবিশ্বাস ফিরে পেতে আমার হয়তো কিছুদিন খেলা থেকে দূরে থাকা প্রয়োজন। এখন ফিরে যাব। কিছুদিন সময় নেব। এরপর দুর্বলতা নিয়ে কাজ করব এবং শক্তিশালীভাবে ফিরে আসার চেষ্টা করব।’