বুধবার | ২ ডিসেম্বর ২০২০ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • কানাডায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়ে মারা গেছেন ৬৬ জন
  • ভারতের কৃষক বিক্ষোভ নিয়ে জাস্টিন ট্রুডোর উদ্বেগ

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকা বাড়িতে আসায় পালিয়ে গিয়েছিলেন পাবনার সুজানগরের ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ হোসেন। একদিন বাড়ির বাইরে থাকার পর ফেরত আসেন। গতকাল মঙ্গলবার রাতে দীর্ঘদিনের ওই প্রেমিকাকেই বিয়ে করেন তিনি। ছাত্রলীগ নেতা উপজেলার ভায়না ইউনিয়নের ভায়না গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম বকুল মন্ডল। সোহাগের প্রেমিকা উপজেলার সাহাপুর গ্রামের বাসিন্দা।

জানা গেছে, গত দুই বছর ধরে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন সোহাগ। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রেমিকার বাড়িতে গিয়ে তাকে নাকফুল পরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। বিভিন্ন সময় সুজানগরের এই ছাত্রলীগের নেতা তার প্রেমিকাকে নিয়ে একাধিক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতেও গেছেন। সম্প্রতি বিয়ের দাবি তুললে সোহাগ টালবাহানা শুরু করেন। প্রেমিকাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন এবং সব কিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালান। তাকে না পেয়ে গত সোমবার বিকেল থেকে সোহাগ হোসেনের বাড়িতে অবস্থান নেন তার প্রেমিকা।

ওইদিনই বাড়ি থেকে পালিয়ে যান সোহাগ। এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে সোহাগের মা জানিয়েছিলেন, তার ছেলে বেড়াতে গেছেন। মেয়েটি বিয়ের দাবিতে তাদের বাড়িতে এসেছেন। সোহাগ এলেই সবকিছু শুনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ওই তরুণী জানিয়েছিলেন, সোহাগের বাড়িতে আসার পর তিনি তার মোবাইল ফোন নিয়ে সবকিছু ডিলিট করে দেন। সোহাগ তাকে বিয়ে না করলে তার বাড়িতেই আত্মহত্যা করবেন তিনি।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে বাড়ি ফেরত আসেন সোহাগ। পরে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে প্রেমিকাকে বিয়ে করেন তিনি।

ভায়না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘সোমবার মেয়েটি সোহাগের বাড়িতে অবস্থান করে। কিন্তু সে বাড়িতে না থাকায় এবং মেয়ের কোনো অভিভাবক না থাকায় বিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়নি। গতকাল মঙ্গলবার রাতে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়।’