শনিবার | ৫ ডিসেম্বর ২০২০ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • কানাডায় করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়িয়েছে
  • ভ্যাকসিন নিয়ে ফেডারেল সরকারের কাজে ৬৬ শতাংশ কানাডিয়ান সন্তুষ্ট

বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, টরন্টো বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট ২০২০ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছে। বঙ্গমাতা ও মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের গৌরবময় জীবন ও অবদান নিয়ে মিশন একটি আলোচনা সভার আয়োজন করে। মিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। বঙ্গমাতা ও মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের জীবন নিয়ে নির্মিত বিশেষ তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এরপর মিশনের কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নিয়ে বঙ্গমাতা ও মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের গৌরবময় অবদানের কথা বিশদভাবে তুলে ধরেন।

কনসাল জেনারেল নাঈম উদ্দিন আহমেদ তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ৭ মার্চের ভাষণের ঠিক আগে বঙ্গমাতা বঙ্গবন্ধুকে তিনি যা জাতির জন্য মঙ্গলজনক বিশ্বাস করেন, তাই বলার জন্য পরামর্শ দিয়েছিলেন এবং সে অনুসারে বঙ্গবন্ধু তাঁর হৃদয় থেকে সেই অমোঘ বাণী উচ্চারণ করেছিলেন "এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম! এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম!" কনসাল জেনারেল বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব অনুপ্রেরণা, ধৈর্য এবং ভালবাসার প্রতীক। তিনি আরো বলেন, শেখ ফজিলাতুন নেছা বঙ্গবন্ধুর জীবনে ছিলেন এক আশীর্বাদ, যিনি তাঁর দীর্ঘ অনুপস্থিতিতে পরিবারকে অত্যন্ত যত্নের সাথে লালন করেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুকে দৃঢ়ভাবে পরাধীনতা থেকে জাতিকে মুক্ত করার সংগ্রামে সাহস যুগিয়েছিলেন। কনসাল জেনারেল মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের সাংস্কৃতিক সৃজনশীলতা এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান স্মরণ করেন।

সবশেষে, কনসাল জেনারেল বঙ্গমাতা এবং মুক্তিযোদ্ধা শেখ কামালের জীবন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে জাতির পিতার সোনার বাংলা বিনির্মাণে প্রত্যেককে সর্বোচ্চ অবদান রাখার আহ্বান জানান। কেক কেটে ও বিশেষ দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।