নেইমারের গোলে ফরাসি কাপ জিতল পিএসজি

২৫ জুলাই ২০২০


নেইমারের গোলে ফরাসি কাপ জিতল পিএসজি

করোনাভাইরাস সংকটের পর প্রথম শিরোপা জিতল পিএসজি। ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারের একমাত্র গোলে সেন্ত এতিয়েনকে হারিয়ে ফরাসি কাপের শিরোপা ঘরে তুলেছে টমাস টুখেলের দল। শুক্রবার রাতে প্যারিসের ফাইনাল ম্যাচে বেশিরভাগ সময় ১০ জন নিয়ে খেলা এতিয়েনকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা উল্লাসে মেতে ওঠে পিএসজি। এই জয়ে ফরাসি কাপের ১৩তম শিরোপা ঘরে তুললো ক্লাবটি। টানা চারবার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর গত আসরের ফাইনালে রেনের বিপক্ষে টাইব্রেকারে হেরেছিল তারা। এবার সেই শিরোপা পুনরুদ্ধার করলো টমাস টুখেলের দলটি।

করোনা সংকটের মধ্যে এটাই ছিল ফ্রান্সে প্রথম কোনও প্রতিযোগিতামূলক ফুটবল ম্যাচ। পিএসজির ভেন্যুটিতে ৮০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার গ্যালারি থাকলেও স্বাস্থ্য বিধি মেনে ম্যাচটি মাঠে বসে দেখতে অনুমতি দেওয়া হয় ৫ হাজার সমর্থককে।

জয়সূচক একমাত্র গোলটি ম্যাচের চতুর্দশ মিনিটে করে নেইমার। অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়ার পাস ধরে ডি-বক্সের মাঝামাঝি থেকে বাঁ পায়ের শটে গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান এই তারকা। তবে ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে গোল খেতে বসেছিল পিএসজি। এতিয়েনের মিডফিল্ডার ডেনিস বানগার শট পোস্টে লেগে ফিরলে বেঁচে যায় লিগ চ্যাম্পিয়নরা।

ম্যাচের ২৭তম মিনিটে এতিয়েনের লোয়িচ পেরিন এমবাপেকে ফাউল করার পর হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের খেলোয়াড়রা। এতে বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে খেলা। বেঞ্চ থেকে উঠে আসা মার্কো ভেরাত্তিসহ হলুদ কার্ড দেখেন পিএসজির তিন জন, এতিয়েনের একজন। পরে ভিএআরের সাহায্যে পেরিনকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।

ম্যাচের বাকি সময় ১০ নিয়েই খেলতে হয় অতিথিদের। আর এই সময়টা আক্রমণে না গিয়ে রক্ষণেই বেশি নজর দেয় এতিয়েন। ৫৮তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ এসেছিল ডি মারিয়ার সামনে। কিন্তু আর্জেন্টাইন এই মিডফিল্ডারের শট পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে যায়।

বাকি সময়ে আরও বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছিল পিএসজি। তবে সুযোগ নষ্টের পাশাপাশি প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় ব্যবধান বাড়াতে পারেনি তারা।

এই নিয়ে চলতি মৌসুমে ফ্রান্সের দুটি শীর্ষ শিরোপা ঘরে তুলল পিএসজি। করোনা মহামারির কারণে এপ্রিলে লিগ ওয়ানের এবারের মৌসুম বাতিল করা হয়। তবে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করা হয় পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা পিএসজিকে।

এদিকে শিরোপা জিতলেও পিএসজিকে একটি দুঃসংবাদও শুনতে হয়েছে। ম্যাচটির প্রথমার্ধেই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়া হন দলটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় কিলিয়ান এমবাপে। ফরাসি এই ফরোয়ার্ড গুরুতর চোট পেয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।