নিউইয়র্কে পাঠাও’য়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিমের খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার

১৫ জুলাই ২০২০


নিউইয়র্কে পাঠাও’য়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিমের খণ্ডবিখণ্ড মরদেহ উদ্ধার

বাংলাদেশের জনপ্রিয় রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ (৩৪) নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে নিজ বাসায় খুন হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেলে ফাহিমের নিজ অ্যাপার্টমেন্ট থেকে তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে নিউইয়র্ক পুলিশ

এনওয়াইপিডি পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ফাহিমের শরীরের হাত-পা, মাথা সবকিছু খণ্ড-বিখণ্ড ছিল। আমরা এগুলো পেয়েছি। ফাহিমের বোন তার খোঁজ না পেয়ে ৯১১ ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ বলছে, ফাহিম সালেহ’র খুনিদের চিহ্নিত করতে তৎপরতা শুরু করেছে তারা। তারা ওই ভবনের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহ করে দেখেছেন। তাতে দেখা গেছে, মাথা ঢাকা ও হ্যান্ড গ্লাভস পরা সহেন্দভাজন এক ব্যক্তি ওই ভবনের লিফট ব্যবহার করেছেন।

ফাহিম সালেহ গত বছর ২.২৫ মিলিয়ন ডলার দিয়ে ম্যানহাটনের ডাউনটাউনে এই অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন।

এদিকে ফাহিম সালেহের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে পাঠাও। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বিপণন ও জনসংযোগ কর্মকর্তা সৈয়দা নাবিলা মাহবুব দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, পাঠাওয়ের এক প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ফাহিম সালেহের মৃত্যুতে আমরা হতভম্ব এবং গভীরভাবে দুঃখিত। বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের বাইরেও মানুষের জীবনযাত্রার আমূল পরিবর্তনে প্রযুক্তির সক্ষমতার প্রতি ফাহিমের গভীর বিশ্বাস ছিল। সে সবসময় পাঠাও এবং এই ইন্ডাস্ট্রির সবার জন্য এক অনুপ্রেরণা ছিল এবং অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

নিহত ফাহিম সালেহ বাংলাদেশের রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম পাঠাও ছাড়াও নাইজেরিয়াতে ‘গোকান্ডা’ নামক আরেকটি রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম চালু করেন। পেশায় ওয়েবসাইট ডেভেলপার ফাহিম অ্যাডভেঞ্জার ক্যাপিটাল গ্লোবাল নামক একটি ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠানেরও উদ্যোক্তা ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে জন্ম ফাহিমের। তার বাবা সালেহ উদ্দিন বড় হয়েছেন চট্টগ্রামে আর মা নোয়াখালীর। ফাহিম পড়াশোনা করেছেন ইনফরমেশন সিস্টেম নিয়ে আমেরিকার বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়ে। থাকতেন নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে।