বৃহঃস্পতিবার | ৫ আগস্ট ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • বিদেশি প্রভাবিত প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে
  • গ্রিন পার্টির নেতা অনামী পলকে দল থেকে বহিস্কারের কোনো সুযোগ নেই
ডেক্সামেথাসোনের উৎপাদন বাড়ানোর ডাক ডব্লিউএইচও’র

: ২৩ জুন ২০২০ | দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক |



করোনা আক্রান্ত গুরুতর অসুস্থ রোগীদের মৃত্যুহার কমাতে ডেক্সামেথাসোন ব্যবহারের  পরিধি আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে ওষুধটির উৎপাদন বৃদ্ধির পরামর্শ দিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান টেড্রোস আধানম গিব্রাইয়াসুস। ব্রিটিশ গবেষকেরা জানিয়েছেন, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে এই ওষুধটি ভেন্টিলেটরে যাওয়া এক তৃতীয়াংশ রোগীর জীবন বাঁচিয়েছে। যাদের অক্সিজেন সাপোর্ট দরকার হয়েছে তাদের মধ্যে এক পঞ্চমাংশ রোগী বেঁচে ফিরেছেন। করোনার চিকিৎসায় এমন উপকারিতা এতদিন কোনো ওষুধে পাওয়া যায়নি। তবে উপসর্গের তীব্রতা কম থাকলে এটি কোনো কাজে আসবে না; বরং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। তাই বাড়িতে ব্যবহার করা যাবে না।

‘ট্রায়ালের ডেটা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও বর্তমান ফলাফলে গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে ডেক্সামেথাসোনের জীবন রক্ষাকারী ক্ষমতা দেখা গেছে।  এটি আমাদের বহুল প্রতীক্ষিত উদযাপনের উপলক্ষ এনে দিয়েছে।’

জেনেভা থেকে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে সোমবার ওষুধটি নিয়ে এভাবে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে গিব্রাইয়াসুস বলেন, ‘এখন পরবর্তী চ্যালেঞ্জ  উৎপাদন এবং বিশ্বজুড়ে সমানভাবে বিতরণ করা। দেখতে হবে কোথায় এটি বেশি দরকার।’

এই ওষুধটি বাংলাদেশসহ অধিকাংশ দেশে কয়েক যুগ ধরে তৈরি হচ্ছে। করোনা মোকাবিলায়ও ব্যবহার করা হচ্ছে। এতদিন করোনা রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারে উপকারিতা পেলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে ‘নিশ্চয়তা’ এই প্রথম জানলেন দেশিয় চিকিৎসকেরা।

এটি মূলত আইসিইউতে ব্যবহার করার ওষুধ। বাড়িতে চিকিৎসা নেয়া রোগীদের জন্য নয়। উপসর্গের তীব্রতা কম থাকলে ওষুধটি কাজে আসবে না। ডেক্সামেথাসোন স্টেরয়েড ট্রিটমেন্ট। ১৯৬০ সালের দিক থেকে এটি নানা ধরনের প্রদাহ এবং অ্যাজমা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়।

অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক হাসপাতালে ভর্তি হওয়া প্রায় দুই হাজার করোনা রোগীর শরীরে ডেক্সামেথাসোন পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করেছিলেন। প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ভেন্টিলেশনে থাকা রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ মৃত্যুঝুঁকি ৪০ থেকে ২৮ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনে। আর যাদের অক্সিজেন নেওয়া দরকার, সেসব রোগীর মৃত্যুঝুঁকি কমে ২৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত।



[email protected] Weekly Bengali Times

-->