যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে বললেন চীনা প্রেসিডেন্ট

২৭ মে ২০২০


যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে বললেন চীনা প্রেসিডেন্ট


পৃথিবীর প্রায় সবদেশ যখন করোনাযুদ্ধের লড়াইয়ে ব্যস্ত, ঠিক এমন সময়ে লাদাখ সীমান্ত নিয়ে উত্তেজনায় ভাসছে চীন-ভারত। ইতিমধ্যে উভয় দেশের সেনাবাহিনী সীমান্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

এক্ষেত্রে এক পা যেন এগিয়ে যুদ্ধের দামামা বাজাতে চাইছেন চীন সরকার। নিজেদের সেনা বাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। খবর এনডিটিভির।

সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি দৃশ্যমান জানিয়ে তাদের দৃঢ়ভাবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। যদিও কোনও বিশেষ দেশ বা প্রতিপক্ষের নাম উচ্চারণ করেননি, কিন্তু প্রকৃত সীমান্তরেখায় ভারত ও চীনের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই এমন মন্তব্য করেছেন জিনপিং।

৬৬ বছরের এই রাষ্ট্রনায়ক বেজিংয়ে চলতে থাকা সংসদীয় অধিবেশনের সময় ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’ ও ‘পিপলস আর্মড পুলিশ ফোর্স’র প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে এই মন্তব্য করেন।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও যেকোনও জটিল পরিস্থিতিকে সঠিকভাবে মোকাবিলা করার জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন নিজ দেশের সেনাদের। চীনের‘জিনহুয়া নিউজ এজেন্সি’র প্রতিবেদন থেকে একথা জানা গেছে। তবে, এসময় তিনি চীনের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠা কোনও বিশেষ ইস্যুর কথা উল্লেখ করেননি।

গত কয়েক দিন ধরেই লাদাখ ও উত্তর সিকিমের প্রকৃত সীমান্তরেখায় ভারত ও চীনের সেনা প্রভূতভাবে মোতায়েন হয়েছে। এর ফলে উত্তেজনার পারদ ক্রমশই চড়ছে।

তবে শুধু ভারত নয়, মার্কিন সেনার সঙ্গেও উত্তেজনা তৈরি হয়েছে চীনের সেনাবাহিনীর। মার্কিন নৌবাহিনীকে বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে টহল দিতে দেখা গেছে। পাশাপাশি করোনা সংক্রমণকে কেন্দ্র করেও উত্তপ্ত বাদানুবাদ হয়ে আসছে চীন ও আমেরিকার।

এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্তরেখায় তৎপর রয়েছে ভারত। তাদের দাবি, বরাবরই সীমান্তের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ভারতীয় সেনারা। একইসঙ্গে এও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারত দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।