বিবাহিত জীবনে অনেক কিছুই করা যায় না : জামাল ভূঁইয়া

২২ মে ২০২০


বিবাহিত জীবনে অনেক কিছুই করা যায় না : জামাল ভূঁইয়া

ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বেড়ে ওঠা জামাল ভূঁইয়া এখন ফুটবলে বাংলাদেশের প্রতিনিধি। ২০১১ সালে লাল সবুজের জার্সিতে খেলার আশায় এসেও স্বপ্নপুরণ হয়নি। তার দুই বছর পরই ২০১৩ সালে ডাচ কোচ লোডভিক ডি ক্রুইফের হাত ধরে শুরু হয় তার পথ চলা।

অভিষেকের পর থেকে জামাল হয়ে উঠেছেন দেশের ফুটবলের মধ্যমণি। তার কাঁধেই এখন বাংলাদেশ ফুটবলের নেতৃত্ব।

কিশোরগঞ্জের ২৯ বছর বয়সী জামাল হ্যারিস ভূঁইয়া ১৯৯০ সালে ডেনমার্কে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানেই বেড়ে ওঠেন। ২০১৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের মাধ্যমে ঢাকায় ফুটবলে পা রাখেন তিনি। এখন তিনি খেলছেন সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে।

এ বছরের শুরুতে বিয়ের করেন জামাল। বিবাহিত জীবন ও ব্যাচেলর জীবনের মধ্যে পার্থক্য কী? তারমতে, বিবাহিত জীবনে অনেক কিছুই করা যায় না।

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডাররেশনের (বাফুফে) আয়োজনে ফেসবুক লাইভ আড্ডায় ওই প্রশ্নে জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘যখন আপনি বিবাহিত, তখন আপনাকে একজনের প্রতি আপনার মনোযোগ দিতে হবে। দিনে সর্বনিম্ন দুই-তিনবার তার খোঁজ নিতে হবে। যখন আপনি অবিবাহিত, তখন কোনো কিছুর খবর না নিলেও চলে। তখন আপনি এখন স্বার্থপরও হতে পারেন। কিন্তু যখন আপনার জীবনে কেউ আসবে, তখন তার প্রতি আপনার মনোযোগ দিতে হবে। আর অনেক কিছুই রয়েছে যেগুলো বিবাহিত জীবনে করা যায় না। এগুলো হলো বড়দের আলোচনার বিষয়।’ আড্ডাটি সঞ্চালনা করেন বাফুফে মিডিয়া বিভাগের অ্যাক্সিকিউটিভ খালেদ মাহমুদ নাওমি।

খেলার জন্য স্ত্রী সবসময় উৎসাহ দেন জানিয়ে জামাল ভূঁইয়া বলেন,  ‘আমিতো সবসময় উনাকে বলি, আমার কখন খেলা থাকে। উনি সবসময় আমাকে উৎসাহ দেয়। উনি সবসময় বলে বেস্ট অফ লাক। আরও বলে, আই উইশ ইউ অল দ্যা বেস্ট।’

কোপেনহেগেনের জামাল ভূঁইয়া কখনো স্বপ্ন দেখেছিলেন ১৬ কোটি বাঙালির অধিনায়ক হবেন? তার আধা বাংলা-আধা ইংলিশে তার উত্তর, ‘জীবনেও কখনো ভাবিনি। যেসময় আমি কোপেনহেগেনে খেলেছি ছোট বেলায়, জীবনেও আমি ভাবিনি আমি বাংলাদেশের অধিনায়ক হব। সত্যি কথা বলতে, আমি চিন্তা করেছি একদিন বাংলাদেশের জন্য খেলব। এই স্বপ্ন এখন পূরণ হয়েছে। এখনা আমি গর্ব করি বাংলাদেশের অধিনায়ক হতে পেরে।’

তারপর কীভাবে সম্ভব হয়েছিল নেতৃত্ব পাওয়া? উত্তরে জামাল ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি গত পাঁচ-ছয় বছর টানা খেলছি বাংলাদেশের হয়ে। খেলা শুরুর পর থেকে আমি নিয়মিত সদস্য হয়ে দাঁড়াই। এর কিছুদিন পর আমি ভাবলাম, আমি যদি আরও পরিশ্রম করি, আরও চেষ্টা করি তাহলে আমি বাংলাদেশের অধিনায়ক হতে পারব। আলহামদুলিল্লাহ, আমি অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছি এবং এটা আমার ক্যারিয়ারের জন্য পজিটিভ।’