ভারতে আক্রান্ত লাখ ছাড়াল, মৃত্যু ৩১৬৩

১৯ মে ২০২০


ভারতে আক্রান্ত লাখ ছাড়াল, মৃত্যু ৩১৬৩

সংক্রমণ দেখা দেয়ার মাত্র চারমাসেই লক্ষাধিক আক্রান্তের তালিকায় নাম উঠেছে ভারতের। গত মার্চের শেষেও যেখানে সংখ্যাটা দেড় হাজার পেরোয়নি, সেখানে শুধু মে মাসের প্রথম তিন সপ্তাহেই সংখ্যাটা ৬৬ হাজারেরও বেশি বেড়েছে। এতে চীনকে ছাপিয়ে ভারত এখন আক্রান্তের সংখ্যার নিরিখে বিশ্বের প্রথম একাদশে।

কেন্দ্রিয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন চার হাজার ৯৭০  জন। এই মুহূর্তে দেশে মোট আক্রান্ত ১ লাখ ১ হাজার ১৩৯ জন। একই সময়ে করোনার থাবায় মৃত্যু হয়েছে ১৩৪ জনের। এ নিয়ে প্রাণহানি ৩ হাজার ১৬৩ জনে দাঁড়িয়েছে। আর সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৩৯ হাজারের বেশি মানুষ।

করোনায় আক্রান্ত রাজ্যগুলির মধ্যে শীর্ষে মহারাষ্ট্র। আক্রান্তের এক তৃতীয়াংশেরও বেশি সেখানে। এই মুহূর্তে মহারাষ্ট্রে আক্রান্ত ৩৫ হাজার ৫৮ জন। সেখানে মৃত্যু হয়েছে এক হাজার ২৪৯ জনের। এর পরেই রয়েছে তামিলনাড়ু। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ১১ হাজার ৭৬০ জন। আক্রান্তের নিরিখে তৃতীয় স্থানে গুজরাট (১১ হাজার ৭৪৫) ও চতুর্থ রাজধানী দিল্লি (১০ হাজার ০৫৪)। এরপর ক্রমান্বয়ে রয়েছে রাজস্থান (৫ হাজার ৫০৭), মধ্যপ্রদেশ (৫ হাজার ২৩৬), উত্তরপ্রদেশ (৪ হাজার ৬০৫), পশ্চিমবঙ্গ (২ হাজার ৮২৫) ও অন্ধ্রপ্রদেশ (২ হাজার ৪৭৪)।

করোনায় পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যু হয়েছে ২৪৪ জনের। যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রকাশিত বুলেটিনের মতে ১৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনায়। বাকি ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে কোমর্বিডিটিতে।

ভারতে প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে ৩০ জানুয়ারি। চীনের উহান ফেরত কেরলের এক ছাত্রী দেশের প্রথম করোনায় আক্রান্ত হোন। গত বছরের ডিসেম্বরের শেষের দিকে চীনের উহানে প্রথম করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। যা পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। জারি করা হয় মহামারি।

এই মহামারি মোকাবিলায় গত ২৫ মার্চ থেকে ভারতে লকডাউন জারি করা হয়, বর্তমানে তার চতুর্থ ধাপ চলছে। তবে কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। সংক্রমণ কম আছে এমন এলাকায় বাস ও অটোসহ বিভিন্ন গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তবে সবই করতে হবে সামাজিক দূরত্ব রাখার নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই। ফলে খুবই অল্পসংখ্যক যাত্রী নিয়ে চলাচল করছে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বাস।