কানাডায় করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ৮ হাজার

১ এপ্রিল ২০২০


কানাডায় করোনায় আক্রান্ত সাড়ে ৮ হাজার

কানাডায় এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ৫৯১জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, মারা গেছেন ৯৫ জন আর সেরে উঠেছেন ১ হাজার ১৭১ জন। এর মধ্যে বিভিন্ন প্রদেশে প্রবাসী বাঙালিদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। 

আয়তনের দিক থেকে কানাডা ৯ হাজার ৯শ’ ৮৫ মিলিয়ন কিলোমিটার হলেও জনসংখ্যা মাত্র ৩৬ মিলিয়ন। যার রয়েছে ১০টি প্রদেশ এবং ৩টি অঞ্চল।  

কানাডাই বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে মাল্টিকালচারিজমের ঘোষণা দেয়, যার ফলস্বরূপ দেশটির জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত ১৭ মিলিয়নের বেশি লোক অভিবাসী হয়ে দেশটিতে এসে স্থায়ীভাবে বসবাস করছে।  এরমধ্যে কানাডার বিভিন্ন  প্রদেশে প্রবাসী বাঙালিরা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে।

সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কানাডার টরন্টো এবং মন্ট্রিয়লে বেশ ক’জন বাংলাদেশির করোনায় আক্রান্তের খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তবে অনেকেই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আবার কেউ কেউ তা ‘করোনা’ বলে মনে করছেন না। 

যাদের নাম জানা গেছে, তারা হচ্ছেন টরেন্টোর বাঙালি কমিউনিটির পরিচিত মুখ হাজী তুতিউর রহমান। স্থানীয় হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন। অন্যদিকে শরিফ আলী হাসপাতালে শয্যাশায়ী।

জালালাবাদ অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ছাদ চৌধুরী সস্ত্রীক অসুস্থ অবস্থায় বাসায় আছেন। ডাক্তার বলেছেন, তিনি আশঙ্কামুক্ত এবং আরোগ্যের পথে। মন্ট্রিয়লে আক্রান্ত নবী ভারডোন হাসপাতালে আর এবং তার স্ত্রী হাজেরা আইসিইউতে আছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে।  

অন্যদিকে ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় দুই পরিবারের তিনজন করোনাভাইরাস পজেটিভ। তাদের পরিবারেরর সদস্যরাও আইসোলেশনে রয়েছেন। 

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসে কানাডায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিলো ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় এবং সর্বাধিক সংখ্যক ১৭ মৃত্যু ঘটেছে সেখানেই। এখন সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা শতকরা ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।  

অন্যদিকে, বুধবার আলবার্টার চিফ মেডিকেল অফিসার ডাক্তার ডিনা হিন স এক ব্রিফিংয়ে বলেছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৬৪ জন কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন। আলবার্টায় সর্বমোট ৭৫৪ জন যাদের মধ্যে ৭৭ জন স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন।       

আড্ডাপ্রিয় প্রবাসী বাঙালিরা সংবরণ করছেন নিজেদের। দূরে থাকছেন একে অন্যের থেকে, নিয়ন্ত্রণ করছেন সামাজিক দূরত্ব। বন্ধ করে দিয়েছেন সব ধরনের দাওয়াত এবং জনসমাগম, মেনে চলছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ।  

কানাডার বিভিন্ন প্রদেশের বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা ব্যক্তিগত ও  সংগঠনভিত্তিক ই-মেইল দিয়ে প্রবাসী বাঙালিদের করোনাভাইরাসের বিভিন্ন সতর্কতামূলক পরামর্শ দিচ্ছেন।