অনন্তের ত্রাণ নিয়েও তিন সমিতির বিভক্তি

২৩ মার্চ ২০২০


অনন্তের ত্রাণ নিয়েও তিন সমিতির বিভক্তি

অনন্ত জলিলকরোনাভাইরাসের আতঙ্কে শুটিং বন্ধ। নায়ক-নায়িকা, পরিচালক-প্রযোজকেরাও ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। স্থবির এ অবস্থায় বেকার হয়ে পড়েছেন বিনোদন অঙ্গনের সহকারী শিল্পী ও কশাকুশলীরা। মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দিয়ে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছেন নায়ক অনন্ত জলিল। চলচ্চিত্রের সমিতিগুলোর মাধ্যমে শিল্পী-কলাকুশলীদের এ সাহায্য দিতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এ ত্রাণ সহায়তা বিতরণ নিয়েও দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট তিন সমিতি।

আগামী ২৬ মার্চ দুপুর ১২টায় চলচ্চিত্রের তিন সমিতিকে দুই ভাগে ত্রাণ সহায়তা দেবেন অনন্ত জলিল। প্রথম আলোকে আজ সোমবার তেমনটিই জানিয়েছেন তিনি। অনন্ত বলেন, আমি মনে করি চলচ্চিত্রের সবাই মিলে একটি পরিবার। কিন্তু তাঁরা এখনো সেটা মনে করে না। সবাই চলচ্চিত্রের কথা বললেও সমিতিগুলো আসলে আলাদা। আমি যখন সহকারী শিল্পী ও কলাকুশলীদের জন্য একটা উদ্যোগের কথা ভাবলাম, প্রযোজক সমিতির সভাপতি খসরু (খোরশেদ আলম) ভাইয়ের সঙ্গে শেয়ার করলাম। শিল্পী সমিতি ও পরিচালক সমিতির সঙ্গে আলাপ হলো। একপর্যায়ে তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হলো, প্রযোজক ও পরিচালক সমিতি একসঙ্গে আর শিল্পীসমিতি আলাদা থাকবে। আমিও ভাবলাম দুর্যোগের এই সময়ে আমার বরাদ্দকৃত পণ্যগুলো সবার হাতে তুলে দেওয়া উচিত। তাই এই মুহূর্তে বেশি কিছু না ভেবে আমি আমার কাজটাই করতে চাই।

একই দিনে এফডিসির দুটি ভিন্ন স্থান থেকে বেকার ও অসচ্ছল সহকারী শিল্পী ও কলাকুশলীদের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ করা হবে। সেসবের মধ্যে থাকবে চাল, ডাল, তেল, লবণ, চিনি, গুঁড়ো দুধ, সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গ্লাভস ও মাস্ক। অনন্ত জলিল জানান চলচ্চিত্রের তিন সমিতি থেকে ৪শ জন লোকের জন্য এসবের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। যদিও তাঁর প্রস্তুতি ছিল আরও বেশি লোকের। অনন্ত বলেন, আমার ফ্যাক্টরিতে ৫ হাজার মাস্ক তৈরি করেছি। নিজ উদ্যোগে আমি সেগুলো সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেব। একই সঙ্গে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং গ্লাভস দেওয়ার পরিকল্পনা করেছি।