মঙ্গলবার | ৩ আগস্ট ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • বিদেশি প্রভাবিত প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে
  • গ্রিন পার্টির নেতা অনামী পলকে দল থেকে বহিস্কারের কোনো সুযোগ নেই
হাউডি মোদি থেকে নমস্তে ট্রাম্প

: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ | দ্য বেঙ্গলি টাইমস ডটকম ডেস্ক বাংলাদেশ অফিস |

হাউডি টেক্সাসের একটি প্রচলিত আঞ্চলিক শব্দ। ওই অঞ্চলে কারো ঙ্গে দেখা হলে কে অন্যকে হাউডি লে শুভেচ্ছা বিনিময় রেন। হাউডি কথাটার মানে হল "হাউ ডু ইউ ডু" বাংলায়কেমন আছেনকিংবাকী খবর’ !

ভারতের প্রধানমন্ত্রী রেন্দ্র মোদি ২০১৯ সালের ২২ সেপ্টেম্বর টেক্সাসের হিউস্টোনে ৫০ হাজার লোকের সমাবেশে ভাষণ দেন। সমাবেশে উপস্থিত লোকেরা ছিলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। ওই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

ট্রাম্প নিজেকে মোদির খুব নিষ্ঠ বন্ধু লে রিচয় দিয়ে লেন, এমন বন্ধু মোদি আর কাউকে পাবেন না ! জবাবে মোদি রেকটু বাড়িয়ে লেন, "আরেকবার দরকার ট্রাম্পের সরকার" মোদির নিজের শ্লোগানের ঙ্গে মিল রেখে শ্লোগান মোদির শ্লোগান ছিল, ‘আরেকবার দরকার মোদির সরকার"

 

একই ধরনের সমাবেশ এবার ট্রাম্পের ভারত সফরেও য়েছে মোদির নিজের রাজ্য গুজরাটের রাজধানী আহমদাবাদের বল্লভ ভাই প্যাটেল স্টেডিয়ামে এক লাখ লোকের সমাবেশের শিরোনাম "নমস্তে ট্রাম্প" হিন্দি নমস্তে কথার মানে "নমস্কার", "সালাম" ইত্যাদি। তে ট্রাম্প মোদি নিজেদের দোস্তি প্রকাশ রেন করমর্দন রে পরস্পরকে ড়িয়ে রে নিজেদের উষ্ণতা প্রকাশ রেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ভারত সফরের সময়েও "নমস্তে ওবামা" শিরোনামে তাকে স্বাগত জানিয়েছিল ভারত।

 

যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় বংশোদ্ভূত লোকের সংখ্যা ৪৫ লাখ চলতি ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটে ভারত বংশোদ্ভূত ভোটারদের ভোট পেতে ট্রাম্পের সফর বলে নে চ্ছে। ভারতীয়রা সাধারণত ডেমোক্রেটদের ভোট দিয়ে থাকে। ট্রাম্পের ঙ্গে এমন নিবিড় আালিঙ্গনে বন্ধুত্ব দেখে ভারতীয়দের ভোট ট্রাম্প পাবেন এমন আশা তার য়েছে।

ট্রাম্প মোদির রাজনীতির ধারা একই ধাঁচের।বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশ ভারত এবং প্রাচীনতম গণতন্ত্রের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে তারা শীর্ষ নেতার আসনে অধিষ্ঠিত। তারা লোকরঞ্জনতন্ত্রের গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। দুই নেতার রাজনীতিতে সাদৃশ্য হল উভয়ে রাজনীতির হাতিয়ার ধর্ম, বর্ণ, কট্টর আত্মকেন্দ্রীকতা, উগ্র জাতীয়তাবাদি উভয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যকে প্রাধান্য দেন। উভয়ে আবার টুইট করায় চ্যাম্পিয়ন। কারণে তাদের স্টাইলে এত মিল। তাই তারা উভয়ে একে অন্যকে ভোটে বিজয়ী দেখতে চান। ট্রাম্পের ভারত সফরের অন্যতম লক্ষ্য এটা।

 

বাণিজ্যিক স্বার্থে উভয়ে অনড়; তাই বাণিজ্য চুক্তি হল না। যুক্তরাষ্ট্র ভারত একে ন্যের ণ্যের ওপর শুল্ক সিয়েছে। ২০১৯ সালে ভারতকে দেয়া প্রত্যাহার রেছে যুক্তরাষ্ট্র। বাণিজ্য ক্ষেত্রে সফরে কোনও অগ্রগতি হয়নি। ৩০০ কোটি ডলারের প্রতিরক্ষা চুক্তি সই রেছে ভারত- যুক্তরাষ্ট্র। চুক্তির অধীনে ভারতের কাছে সমরাস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র।

সফরকালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন এনআরসি নিয়ে তেমন কিছু লেননি ট্রাম্প। বে মোদিকে স্মরণ রিয়েছেন যে, ভারত বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশ। ন্দো প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজির অধীনে চীনকে কাউন্টার দেয়া ট্রাম্পের সফরের অন্যতম দ্দেশ্য তে পারে। প্রতিরক্ষা চুক্তি তার প্রতিফলন। বে ভোটের আগে সফরকে ভোটের হিসাবের বাইরে রাখা যায় না। সফরের নগদ লাভের হিসাবে ট্রাম্প কিঞ্চিৎ গিয়ে থাকলেওমোদিও কৌশলগত স্বার্থ হাসিলে সফরটি থেকেকিছু পেয়েছেন লে তুষ্টির হিসাব মেলাতে পারেন।

 


[email protected] Weekly Bengali Times

-->