ফাইভ-জি বহুদূর...

২৫ জানুয়ারী ২০২০


ফাইভ-জি বহুদূর...

সরকার চাইলেও আগামী বছর থেকে দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু করার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেই অপারেটর এবং বিটিআরসির। এমনকি ফাইভ-জি সেবা দিতে অতিরিক্ত ১০০ মেগাহার্জ তরঙ্গ কেনার জন্য এই মুহূর্তে ২৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করতেও আগ্রহী নয় অপারেটরগুলো। উচ্চ প্রযুক্তির মোবাইল টাওয়ার স্থাপনে এখনও দৃশ্যমান কোন উদ্যোগ নেয়নি লাইসেন্স পাওয়া চার প্রতিষ্ঠান।  

প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে মানুষের জীবনাচার বদলে দেয়ার বার্তা নিয়ে আসছে ফাইভ-জি সেবা। পঞ্চম প্রজন্মের এই সেবা ব্যবহারে বিশ্বের যেকোন প্রান্ত থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে রোবট কিংবা গাড়ি। অস্ত্রোপচারও করতে পারবেন চিকিৎসকরা। দুর্গম স্থানে ড্রোন পাঠিয়ে করা যাবে গবেষণা বা যেকোন কাজ ।

এমন প্রেক্ষাপটে ২০২১ সালেই ফাইভ-জি সেবা চালুর ঘোষণা দিয়েছে সরকার। তবে প্রস্তুতি নিয়ে জেগেছে শঙ্কা। সেবাদাতারা বলছেন, ফাইভ-জিতে ইন্টারনেটের গতি উঠবে সেকেন্ডে এক জিবিপিএস'র বেশি। অথচ প্রায় দুই বছরেও উচ্চ প্রযুক্তি সম্পন্ন টাওয়ার নির্মাণে কোন কাজই শুরু করেনি অনুমোদন পাওয়া চার প্রতিষ্ঠান।

বাংলালিংকের চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স অফিসার তাইমুর রহমান বলেন, আমরা এখনো ফাইভ-জির জন্য রেডি না। সরকার চাচ্ছে তাড়াতাড়ি কিছু নামায় ফেলতে, কিন্তু লংটার্মের জন্য এটা ভালো হবে কিনা সেটা একটা কনসার্ন।

ফাইভ-জি সেবা দিতে দরকার আরো ১০০ মেগাহার্জ তরঙ্গ। তবে এর জন্য দরকার প্রায় ২৫ হাজার কোটি টাকা। তরঙ্গের উচ্চ মূল্য ফাইভ-জি সেবা দিতে বড় বাধা বলে মন্তব্য অপারেটরদের।বিটিআরসি বলছে আগামী মার্চ মাসেই প্রকাশ করা হবে ফাইভজি নীতিমালা।

বিটি আরসি চেয়ারম্যান জহুরুল হক বলেন, দাম তো তারাই বাড়িয়েছে, এই অপশন তো তারাই রেখেছে। দাম কমানোটা এত সহজ না।

এদিকে ফাইভ-জি’র ক্ষেত্রে দ্রুত তরঙ্গ নির্ধারণ এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিনামূল্যে তরঙ্গ বরাদ্দ দেয়ার দাবি জানিয়েছে মোবাইল অপারেটগুলো।