কানাডায় ৪০ লাখের বেশি মানুষ খাওয়ার কষ্টে

২৩ জানুয়ারী ২০২০


কানাডায় ৪০ লাখের বেশি মানুষ খাওয়ার কষ্টে

কানাডার মতো ধনী দেশেও অনেক মানুষ না খেয়ে মরে। ৪০ লাখের বেশি মানুষ পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর খাবার জোটাতে পারে না। এমনকি ক্ষুধার কারণে অনেক মানুষ গড় আয়ু পর্যন্ত যাওয়ার আগেই মারা যায়। সম্প্রতি এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

কানাডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধের তথ্য উল্লেখ করে আজ সোমবার এএফপির খবরে জানানো হয়, কানাডার যেসব নাগরিক রোজকার খাবার জোটাতে পারে না, তাদের মৃত্যুর আশঙ্কা বেশি।

কানাডার প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ওপর করা ওই জরিপে দেখা গেছে, ক্যানসারের পরই মৃত্যুহার বাড়ার অন্যতম কারণ হলো ক্ষুধা। খাবার জোটাতে যারা সমর্থ, তাদের তুলনায় যারা সমর্থ নয়, তাদের মধ্যে রোগজীবাণু সংক্রমিত অসুখ, অনিচ্ছাকৃত আঘাত ও আত্মহত্যার হার দ্বিগুণ।
কানাডার মতো দেশে ৪০ লাখের বেশি মানুষ পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর খাবার জোটাতে পারে না। ছবি: রয়টার্সকানাডার মতো ধনী দেশেও অনেক মানুষ না খেয়ে মরে। ৪০ লাখের বেশি মানুষ পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর খাবার জোটাতে পারে না। এমনকি ক্ষুধার কারণে অনেক মানুষ গড় আয়ু পর্যন্ত যাওয়ার আগেই মারা যায়। সম্প্রতি এক জরিপে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

কানাডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন সাময়িকীতে প্রকাশিত নিবন্ধের তথ্য উল্লেখ করে আজ সোমবার এএফপির খবরে জানানো হয়, কানাডার যেসব নাগরিক রোজকার খাবার জোটাতে পারে না, তাদের মৃত্যুর আশঙ্কা বেশি।

কানাডার প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকের ওপর করা ওই জরিপে দেখা গেছে, ক্যানসারের পরই মৃত্যুহার বাড়ার অন্যতম কারণ হলো ক্ষুধা। খাবার জোটাতে যারা সমর্থ, তাদের তুলনায় যারা সমর্থ নয়, তাদের মধ্যে রোগজীবাণু সংক্রমিত অসুখ, অনিচ্ছাকৃত আঘাত ও আত্মহত্যার হার দ্বিগুণ।

নিবন্ধের লেখক ফেই মেন বলেন, এটি অনেকটা প্রথম বিশ্বের দেশে তৃতীয় বিশ্বের কারণ। কানাডায় খাদ্যনিরাপত্তাহীন লোকজন সংক্রমণ ও মাদক সেবনের মতো সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, যেমনটা আমরা উন্নয়নশীল দেশে হতে দেখি। ফলাফলও বেশ অন্য রকম। কানাডার মতো উন্নত বিশ্বে খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা এখনো মৃত্যুর কারণ।

নিবন্ধে বলা হয়, কানাডায় বাস করা ৪০ লাখের বেশি মানুষ পর্যাপ্ত খাবার পায় না।

জাতিসংঘের সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, বিশ্বব্যাপী ২০০ কোটির বেশি মানুষ পর্যাপ্ত স্বাস্থ্যকর খাবারের অভাবে থাকে এবং এর ফলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যার মুখোমুখি হয়। এই জনগোষ্ঠীর ৮ শতাংশই উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর মানুষ।

সূত্র: প্রথম আলো