পুলিশ-বামজোট সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

৩০ ডিসেম্বর ২০১৯


পুলিশ-বামজোট সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে বাম গণতান্ত্রিক জোটের কালো পতাকা নিয়ে পদযাত্রা কর্মসূচি লাঠিপেটা করে পণ্ড করে দিয়েছে পুলিশ। এতে গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি এবং তিন পুলিশ সদস্যসহ অর্ধশতাধিক লোক আহত হন। সোমবার দুপুরে রাজধানীর মৎস্য ভবন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ১৫ জনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের প্রথম বার্ষিকীকে ‘কালো দিবস’ হিসেবে পালনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাও করতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু করে বাম জোটের নেতাকর্মীরা তেজগাঁওয়ের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় পুলিশের সঙ্গে বামজোটের কর্মীদের সংঘর্ষ বেঁধে যায়। জোটের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদুর রহমান জানান, বাম জোটের নেতাকর্মীদের থামাতে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। তারা সেই ব্যারিকেড ভেঙে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। তখন জোটে নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করে। এতে একাধিক পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশ বামজোটের নেতাকর্মীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) বাচ্চু মিয়া জানান, আহত হয়ে ঢামেকের জরুরি বিভাগে ১৫ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৫৮ আসনে অভাবনীয় জয় পেয়ে টানা তৃতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। ওই নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে এ দিনটিকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করছে বামজোট। এরই অংশ হিসেবে গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টিসহ বাম জোটভুক্ত দলগুলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ঘেরাওয়ের কর্মসূচি ডেকেছিল।