সঙ্গীকে মেসেজ দেয়ার সময় সতর্ক থাকুন, কারণ...

২৭ ডিসেম্বর ২০১৯


সঙ্গীকে মেসেজ দেয়ার সময় সতর্ক থাকুন, কারণ...

ভালোবাসার মানুষটির সঙ্গে ইচ্ছা হলেই এখন যোগাযোগ করা যায়। হাতে মোবাইল থাকলে মেসেঞ্জারে গল্প, কিংবা টুকটাক মেসেজ। আর এখন এসব কাজের অনেকটাই জুড়ে আছে প্রেমিক বা প্রেমিকার সঙ্গে কথোপকথন। মেসেজ ও হোয়াটসঅ্যাপ সম্পর্কে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর এখানেই আমরা করে ফেলি বিভিন্ন ধরনের ভুল।

সদ্য শুরু করা প্রেম হোক বা কয়েক বছরের স্থায়ী সম্পর্ক, ভালোবাসার মেসেজেও মাথায় রাখতে হয় বেশ কিছু বিষয়। অনেকেই ভাবেন, ভালোবাসার মানুষকে কিছু লিখছি মানে, যা-ই লিখি, যেটুকুই ভুলত্রুটি তিনি তা আমল দেবেন না।

বিষয়টা কিন্তু তেমন নয়। সব সম্পর্কের মতোই প্রেমের সম্পর্কও স্পর্শকাতর। ভালোবাসার মানুষটির মন-মেজাজ, ব্যস্ততা সবই সাধারণ ও স্বাভাবিক বিষয়। প্রেমে পড়েছেন বলেই, উল্টো দিকের মানুষটির সব ভুলত্রুটি কোনো সময়ই তাকে প্রভাবিত করবে না, এমন ধারণা ঠিক নয়।

তাই সঙ্গীকে মেসেজ করার সময় মাথায় রাখুন কিছু বিষয়: 

•  মেসেজ লেখায় প্রায়ই বানান ভুল করেন না তো? সেন্ড করার আগে একবার দেখে নিন 

•  টেক্সটে হালকা হাসি-মশকরা করতেই পারেন। তবে তার মাত্রা থাকতে হবে 

•  ইমোজি ব্যবহার করার দিকেও সচেতন হোন। নইলে বলতে চাইবেন এক রকম, বোঝাবে আর এক রকম 

•  দুই-একবার মেসেজ পাঠানোর পরও যদি অপর দিক থেকে উত্তর না আসে, তবে বার বার মেসেজ দেবেন না। তিনি হয়ত কোনো কাজে ব্যস্ত রযেছেন 

•  মেসেজে কথায়-কথায় অভিমান-অভিযোগ নয়  

•   কোনো কারণে মনোমালিন্য হলে, বারবার এটা সামনে আনবেন না 

•   বিশেষ করে ঝগড়ার পরে সঙ্গী কী ধরনের কথা বলেন এটা বুঝে তার মতো করেই উত্তর দিন 

•   যদি বোঝেন কোনো কথায় সঙ্গী বিব্রত হচ্ছেন কথা বলতে, তার চাওয়াকে সম্মান করুন। বিষয়টি এড়িয়ে যান, তাকে বিব্রত করবেন না  

•   সম্পর্ক থেকে ইগো দূরে রাখুন, প্রয়োজনে নিজে থেকে মেসেজ করুন। তবে সঙ্গীকেও মাঝে মাঝে সুযোগ দিন। আর নিজের গুরুত্বটাও বোঝার চেষ্টা করুন 

•   সম্পর্ক খুব স্পর্শকাতর। ভালোবাসার মানুষটির মন-মেজাজ, তার অবস্থান, ব্যস্ততা সব কিছু মাথায় রেখেই মেসেজ করুন। সুস্থ-সুন্দর যোগাযোগই ভালোবাসার স্থায়ী সম্পর্ক ধরে রাখতে সাহায্য করে।