বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে: প্রধান বিচারপতি

৫ ডিসেম্বর ২০১৯


বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে: প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আদালত কক্ষে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ঘটনাকে ‘নজিরবিহীন’ বলে অভিহিত করেছেন। আজ (৫ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কোর্টরুমে ফিরে আসার পরে বিএনপিপন্থী আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, “বাড়াবাড়ির একটা সীমা আছে। আমরা আপিল বিভাগে এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। অর্ডার দেওয়া হয়ে গেছে। এজলাসে বসে আদালতের পরিবেশ নষ্ট করবেন না।”

বিশৃঙ্খলা চলাকালীন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা বিচারকদেরে উদ্দেশ্য করে “লজ্জা লজ্জা” বলে চিৎকার করছিলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, “এই আদালত দলিল ও প্রমাণাদি নিয়ে আদেশ দেয়। কে কী বলবে তা বিবেচ্য নয়।”

পরে ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন অপর একটি মামলার যুক্তিতর্ক আদালতে উপস্থাপন করেন। এসময় পুনরায় বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা স্লোগান দিতে শুরু করে সেখানে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

দুপুর সোয়া ১২টার বিচারকগণ পুনরায় বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। আদালতের কার্যক্রমের সময় শেষ হয়ে গেলে বিচারপতিরা বেলা সোয়া একটায় আদালত কক্ষ ত্যাগ করেন।

এর আগে, সকাল ১০টার দিকে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানির সময় বিএনপি সমর্থক আইনজীবীরা চিৎকার করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করলে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বেঞ্চ আদালত থেকে বেরিয়ে যায়।

আজ (৫ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার মেডিক্যাল বোর্ডের প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও, এর জন্য আরও সময় চায় রাষ্ট্রপক্ষ। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় সদস্যের বেঞ্চ মেডিকেল বোর্ডের প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করে আদেশ দেন। এ নিয়ে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা হট্টগোল শুরু করেন। আদালত ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়ে জামিন আবেদনের শুনানি ১২ তারিখ পর্যন্ত মুলতবি করেছেন।