‘বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে’

১ ডিসেম্বর ২০১৯


‘বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে। রোববার (০১ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের ২১তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত মঞ্চ ও সাজসজ্জা কমিটির সভায় এ কথা বলেন তিনি।

কাদের বলেন, নৈরাজ্য সৃষ্টি করে বিএনপি ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। তারা বিচার মানে না, আদালত মানে না। আন্দোলনের নামে যদি তারা নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করে তাহলে দাতভাঙা জবাব দেয়া হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি যদি রাজনৈতিকভাবে আন্দোলন করে, তাহলে আমরা তা রাজনৈতিক ভাবেই মোকাবেলা করবো। কিন্তু তারা যদি আন্দোলনের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করে তাহলে সমুচিৎ জবাব পাবে।

মঞ্চ ও সাজসজ্জা কমিটির আহবায়ক ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানকের সভাপতিত্বে সভায় আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, মঞ্চ ও সাজসজ্জা কমিটির সদস্য সচিব মির্জা আযম, আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি মাহসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালিন সময়ে বিএনপি হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে টাকা বানানোর পাওয়ার সেন্টার সৃষ্টি করেছিল। আওয়ামী লীগ সরকার কিন্তু টাকা বানানোর কোনো পাওয়ার সেন্টার সৃষ্টি করেনি। বরং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ ঘর থেকে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন।

আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন সাদামাটা ভাবে করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আগামী বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী। ৮ ডিসেম্বর থেকে কাউন্টডাউন শুরু হবে। তাই এবারের সম্মেলন জাকজমক কম করা হবে।

কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আওয়ামী লীগের ২১তম জাতীয় সম্মেলন সফল করার লক্ষে আমাগীকাল থেকে মঞ্চ ও সাজসজ্জা কমিটি কাজ শুরু করবে এবং ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করা হবে। সম্মেলন স্থল পরিদর্শনের জন্য পরে ৪ দিন (১৬ থেকে ১৯) সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আওয়ামী লীগের ২১তম ত্রি-বার্ষিক জাতীয় সম্মেলন আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে। ২০ ডিসেম্বর সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশন এবং ২১ ডিসেম্বর কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।