মুজিব বর্ষেই শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হবো: প্রধানমন্ত্রী

১৩ নভেম্বর ২০১৯


মুজিব বর্ষেই শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হবো: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা একটা লক্ষ্য স্থির করেছি, ২০২০ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী আমরা উদযাপন করবো। শুরু করবো ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে। ২০২১ সালে ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি আমরা উদযাপন করবো। ২০২০ এর মার্চ থেকে ২০২১ এর মার্চ পর্যন্ত আমরা মুজিব বর্ষ ঘোষণা দিয়েছি। ইনশাল্লাহ এর মধ্যে আমরা শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হবো বলে আশা করি।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে সাতটি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ২৩টি বিশেষায়িত বিদ্যুতায়ন প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রায় ৯৪ ভাগ মানুষের ঘরে বিদুৎ পৌঁছাতে পেরেছি। কেউ অন্ধকারে থাকবে না, সব ঘরেই আলো জ্বলবে। সেই লক্ষে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা পরিকল্পিতভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে যাচ্ছি। বিতরণ ও সঞ্চালনেরও ব্যবস্থা আমরা করছি। উৎপাদনের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ এটাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর এ বিষয়ে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। 

সরকার প্রধান বলেন, কোনও ঘর যাতে অন্ধকারে না থাকে, সে ব্যবস্থা আমরা করবো। সব ঘরে আলো কীভাবে জ্বালাবো? সব জায়গায় আমাদের গ্রিড লাইন নেই। তবে যেখানে গ্রিড লাইন নেই বা দুর্গম এলাকা, সেখানে সোলার প্যানেলের মাধ্যমে আমরা বিদ্যুৎ সরবরাহ করছি। বায়ো গ্যাস প্লান্ট বা সোলার প্যানেল বিভিন্ন উপায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে বিদ্যুৎ পৌঁছে দিয়ে সেই ঘরগুলো যাতে অন্ধকারে না থাকে, সে ব্যবস্থা আমরা করবো। সেই লক্ষে আমরা বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, আমরা যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করি। বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে যে অর্থ খরচ হয়, তার থেকে কম অর্থে আমরা সরবরাহ করে যাচ্ছি। ভর্তুকিও আমাকে দিতে হচ্ছে। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো, এই বিদ্যুৎ ব্যবহারে সবাই সাশ্রয়ী হবেন। বিদ্যুৎ অপচয় যেন না হয়। 

এ সময় শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৫-০৬ এ যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, তখন দারিদ্র্যে হার ছিল ৪১ ভাগ। আজকে আমরা তা কমিয়ে ২১ ভাগে নামিয়ে আনতে পেরেছি।

বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আমরা আমাদের সমস্ত পরিকল্পনা একেবারে গ্রাম পর্যায়ে অর্থাৎ তৃণমূল পর্যায়ের মানুষ যাতে এর সুফল ভোগ করতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। অর্থাৎ উন্নয়নটা শুধু শহরে বসবাস করা বা রাজধানীতে বসবাস করা কিছু মানুষেরই উন্নয়ন না, উন্নয়নটা হচ্ছে একেবারে গ্রাম পর্যায়, তৃণমূল পর্যায়ে যে মানুষ তাদের ভাগ্য পরিবর্তন করা, আর্থসামাজিক উন্নতি করা, তাদের জীবনমান উন্নতি করা, কর্মসংস্থান ব্যবস্থা করা এবং তাদের স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা থেকে শুরু করে সব ধরনের সুযোগ সুবিধা পূরণ করা। অর্থাৎ মৌলিক চাহিদা পূরণ করা। সবথেকে অগ্রাধিকার দিয়েছি, আমরা খদ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আজকে ইনশাল্লাহ আমরা খাদ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পেরেছি।