দুই ট্রেনের সংঘর্ষ: তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি

১২ নভেম্বর ২০১৯


দুই ট্রেনের সংঘর্ষ: তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য মঙ্গলবার সকালে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। অপরদিকে রেলওয়ে থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিতু মরিয়মকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। এই কমিটিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোর তিনটার দিকে কসবা উপজেলার মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর তুর্ণা নিশীথা ও আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

অপরদিকে জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খান মঙ্গলবার সকালে জানিয়েছেন, তুর্ণা নিশীথা সিগন্যাল অমান্য করার কারণেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত এ দুর্ঘটনায় ১৫ জনের মৃত্যু কথা নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক। অপরদিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন দুর্ঘটনাকবলিত দুই ট্রেনের শতাধিক যাত্রী। নিহত দুইজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- আলা আমিন (২৫) ও আলী মোহাম্মদ ইউসুফ (৩৫)। তাদের দুইজনের বাড়ি হবিগঞ্জে।

এদিকে, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন রেলওয়ে সচিব মোহাম্মদ মোফাজ্জল করিম, জেলা প্রশাসক হায়াৎ উদ দৌলা খান, পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, ৬০ বিজিবি সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. শাহ আলম আরটিভি অনলাইনকে জানান, দুর্ঘটনায় আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এরমধ্যে ৫৭ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। তার মধ্যে কুমিল্লায় ১২ জন, ঢাকায় ৩ জন, আশুগঞ্জ ১০ জন, আখাউড়ায় ২ জন, কসবায় ২ জন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৮ জন।

রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের চিফ ইঞ্জিনিয়ার শফিক তুহিন জানান, দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন দুটি উদ্ধার করতে কুমিল্লার লাকসাম ও আখাউড়ার রেলওয়ে জংশন থেকে রিলিফ ট্রেন ঘটনাস্থলে এসেছে। ভোর থেকেই উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।