খুলনার কয়রার ছেলের অবিষ্কার সূর্যের আলো ও পানি থেকে তৈরী গ্যাসে জ্বলছে চুলা!

২৫ অক্টোবর ২০১৯


খুলনার কয়রার ছেলের অবিষ্কার সূর্যের আলো ও পানি থেকে তৈরী গ্যাসে জ্বলছে চুলা!

সূর্যের আলো ও পানি থেকে তৈরি করা হয়েছে গ্যাস। তার সেই গ্যাসেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বলছে চুলা । আব্দুল হামিদ নামের খুলনার কয়রার এক ব্যক্তি এই উদ্ভাবন ঘটিয়েছেন। অবশ্য কাজটা তার জন্য সহজ ছিল না। ১০ বছরের পরিশ্রয় ও অধ্যাবসায়ের পর তিনি এমন উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছেন। তবে এই গবেষকের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান আর অন্য দশজন গবেষকের মতো নয়। দশম শ্রেণির পর টাকার অভাবে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারেননি আব্দুল হামিদ। ঢাকায় এসে একটি সোলার বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।  আব্দুল হামিদের এখন চাওয়া বিকল্প এ জ্বালানির প্রসার হোক সারাদেশে। তার মতে, এর ব্যবহার হলে অন্যান্য গ্যাসের ওপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। 

আব্দুল হামিদ বলেন, বইতে পড়েছিলাম হাইড্রোজেন নিজে জ্বলে, অক্সিজেন অপরকে জ্বলতে সাহায্য করে। পানির ভিতরে হাইড্রোজেন থাকে আর অক্সিজেন থাকে। তখন থেকে একটা ধারনা হয়েছিল যে হাইড্রোজেন যেহেতু নিজে জ্বলে তাহলে এটা দিয়ে রান্না করা যায় কী করে! পানিতে তো আগুন দিলে জ্বলার কথা তাহলে আগুন জ্বলে না কেন? এর কারণটা খুঁজে বের করলাম আগে। যেহেতু সূর্যই মূল শক্তির উৎস সব শক্তি তো আমরা সূর্য থেকে পাই সে কিরণটা যদি আমরা কাজে লাগাতে পারি এটাকে সঞ্চয় করে অন্য শক্তিতে তাহলে ভালো একটা ব্যাপার হবে।

সেই চিন্তা থেকেই আব্দুল হামিদ সোলার প্যানেল, পানি ও প্লাস্টিকের বোতল, বালতি ও লোহার ব্যারেল জোড়া দিয়ে উদ্ভাবন করেছেন প্রাকৃতিক গ্যাস। ১০ বছরের এ গবেষণায় তার মোট খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকার মতো। এখনো দিনের বড় একটা সময় তিনি এটি নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। এ প্রযুক্তি নিয়ে আরও বড় পরিসরে গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন আব্দুল হামিদ। তিনি বলেন, একটা ল্যাব দরকার যেখানে এটি নিয়ে আরও কাজ করা হবে। আর আর্থিক সহায়তাও প্রয়োজন যাতে গবেষণা এগিয়ে নেয়া যায়।

খুলনার কয়রার ছেলের অবিষ্কার সূর্যের আলো ও পানি থেকে তৈরী গ্যাসে জ্বলছে চুলা!

মাওলা বকস,খুলনা

সূর্যের আলো ও পানি থেকে তৈরি করা হয়েছে গ্যাস। তার সেই গ্যাসেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বলছে চুলা । আব্দুল হামিদ নামের খুলনার কয়রার এক ব্যক্তি এই উদ্ভাবন ঘটিয়েছেন। অবশ্য কাজটা তার জন্য সহজ ছিল না। ১০ বছরের পরিশ্রয় ও অধ্যাবসায়ের পর তিনি এমন উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছেন। তবে এই গবেষকের প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান আর অন্য দশজন গবেষকের মতো নয়। দশম শ্রেণির পর টাকার অভাবে পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারেননি আব্দুল হামিদ। ঢাকায় এসে একটি সোলার বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন।  আব্দুল হামিদের এখন চাওয়া বিকল্প এ জ্বালানির প্রসার হোক সারাদেশে। তার মতে, এর ব্যবহার হলে অন্যান্য গ্যাসের ওপর নির্ভর করে থাকতে হবে না। 

আব্দুল হামিদ বলেন, বইতে পড়েছিলাম হাইড্রোজেন নিজে জ্বলে, অক্সিজেন অপরকে জ্বলতে সাহায্য করে। পানির ভিতরে হাইড্রোজেন থাকে আর অক্সিজেন থাকে। তখন থেকে একটা ধারনা হয়েছিল যে হাইড্রোজেন যেহেতু নিজে জ্বলে তাহলে এটা দিয়ে রান্না করা যায় কী করে! পানিতে তো আগুন দিলে জ্বলার কথা তাহলে আগুন জ্বলে না কেন? এর কারণটা খুঁজে বের করলাম আগে। যেহেতু সূর্যই মূল শক্তির উৎস সব শক্তি তো আমরা সূর্য থেকে পাই সে কিরণটা যদি আমরা কাজে লাগাতে পারি এটাকে সঞ্চয় করে অন্য শক্তিতে তাহলে ভালো একটা ব্যাপার হবে।

সেই চিন্তা থেকেই আব্দুল হামিদ সোলার প্যানেল, পানি ও প্লাস্টিকের বোতল, বালতি ও লোহার ব্যারেল জোড়া দিয়ে উদ্ভাবন করেছেন প্রাকৃতিক গ্যাস। ১০ বছরের এ গবেষণায় তার মোট খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকার মতো। এখনো দিনের বড় একটা সময় তিনি এটি নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। এ প্রযুক্তি নিয়ে আরও বড় পরিসরে গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন আব্দুল হামিদ। তিনি বলেন, একটা ল্যাব দরকার যেখানে এটি নিয়ে আরও কাজ করা হবে। আর আর্থিক সহায়তাও প্রয়োজন যাতে গবেষণা এগিয়ে নেয়া যায়।