'প্রধানমন্ত্রী একবার দেখে আসুন খালেদা জিয়াকে, আপনারও মায়া্ হবে'

২ অক্টোবর ২০১৯


'প্রধানমন্ত্রী একবার দেখে আসুন খালেদা জিয়াকে, আপনারও মায়া্ হবে'

বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিজের বিচার-বিবেচনায় বোঝার জন্য সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হাসপাতালের কেবিনে এসে দেখে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির সংসদ সদস্যরা। বুধবার বিকেলে দলের চার সংসদ সদস্য হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়াকে দেখতে এসে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এ আহ্বান জানান। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি এই মুহূর্তে বেগম জিয়াকে দেখেন তাহলে তার মায়া হবে। মানবিকভাবেই তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয় বিবেচনায় নেবেন। বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে সংসদ সদস্য গোলাম মোহাম্মাদ সিরাজের নেতৃত্বে মোশাররফ হোসেন, জাহিদুর রহমান এবং রুমিন ফারহানা চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। প্রায় পৌনে এক ঘণ্টা খালেদার পাশে অবস্থান করেন তারা।

এমপি জিএম সিরাজ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বলতে চাই, আপনি নিজে একবার আসুন। আপনি দেখে যান আমাদের তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে। আপনার মানবিকবোধ জাগ্রত হবে, আপনার মায়া হবে। সংসদ নেতা ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার কাছে আমাদের সবিনয়ে অনুরোধ আপনি আমাদের ম্যাডাম জিয়ার জামিনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছাড়া কি ম্যাডামের মুক্তি হবে? আজকে আমাদের সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিব্রতবোধ করেন তার জামিনের বিষয়ে। এখানে তো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়ার বিষয়টি চলে আসে। আসলে পলিটিক্যাল ডিসিশন ছাড়া তার মুক্ত হবে, এর সুরাহা হবে না।

খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাবেন কিনা- প্রশ্ন করা হলে বগুড়া-৬ আসনের এ এমপি বলেন, চিকিৎসার ব্যাপারে ম্যাডামের বক্তব্য হল তিনি তো বাংলাদেশেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চিকিৎসাই পাচ্ছেন না। যেখানে বিদেশে চিকিৎসার প্রয়োজন হলে যাবেন। সেটা তো আমাদের সিদ্ধান্ত নয়। সেটা ম্যাডামের নিজস্ব সিদ্ধান্তের ব্যাপার এবং তার পরিবারের সিদ্ধান্তের ব্যাপার যে, তিনি দেশে চিকিৎসা নেবেন না কি বিদেশে চিকিৎসার জন্য যাবেন। আগে তো মুক্তির দরকার, আগে মুক্তির প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ম্যাডামের বক্তব্য হল- আমার সুচিকিৎসা হচ্ছে না, আমি বাংলাদেশের বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কথা বলেছি। উনি ইউনাইটেডে বিশেষজ্ঞ নিজস্ব ডাক্তারের কথা বলেছেন। সেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সুযোগও দেয়া হয়নি। বিদেশ তো পরের কথা। লাগলে যাবেন বিদেশে।