মঙ্গলবার | ৩ আগস্ট ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • বিদেশি প্রভাবিত প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে
  • গ্রিন পার্টির নেতা অনামী পলকে দল থেকে বহিস্কারের কোনো সুযোগ নেই
টরন্টোর মেয়র জন টরি

এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন গ্রহীতারা কোভ্যাক্স সিস্টেম থেকে ইমেইলের মাধ্যমে এক পাতার একটি পিডিএফ ফরমেটের ডকুমেন্ট পাচ্ছেন। তাতে ভ্যাকসিন নেওয়ার সময়, তারিখ, ভ্যাকসিনের ব্র্যান্ড এমনকি কোন হাতে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে সেসব বিস্তারিত লেখা থাকছে। এদিকে, বিদেশ ভ্রমণ ও অন্যান্য কাজে অন্টারিওতে ঐচ্ছিক কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পাসপোর্ট চালু করা প্রয়োজন বলে মনে করেন টরন্টোর মেয়র জন টরি। গত বুধবার তিনি এ মন্তব্য করেন।

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশনের পক্ষে টরন্টো নিজস্ব প্রমাণপত্র প্রবর্তন করবে কিনা জানতে চাইলে সিপি২৪কে জন টরি বলেন, ভ্যাকসিন পাসপোর্ট প্রবর্তনে প্রদেশ হিসেবে অন্টারিও সবচেয়ে উপযোগী। কারণ ভ্যাকসিন প্রয়োগ সম্পর্কিত সব ধরনের তথ্য-উপাত্ত তারাই ব্যবস্থাপনা করছে। 

তিনি বলেন, মোদ্দা কথা হলো সরকারসহ কেউ যদি আপনি ভ্যাকসিন নিয়েছেন কিনা তার স্বপক্ষে প্রমাণ দেখতে চান তাহলে তা সরবরাহের দায়িত্ব সরকারের। এক্ষেত্রে প্রাদেশিক সরকারের। এর বাইরে কে আপনাকে ভ্যাকসিনেশনের পক্ষে প্রমাণপত্র দেবে? কারা, কখন, কোথায় ও কত ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন সে সংক্রান্ত সঠিক রেকর্ড প্রাদেশিক সরকারের সিস্টেমে রক্ষিত আছে।

তবে অন্টারিওর জনস্বাস্থ্য বিভাগের চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. কিয়েরান মুর গত মঙ্গলবার বলেন, এই মুহূর্তে ভ্যাকসিন পাসপোর্টের প্রয়োজন নেই। ফোর্ড সরকার এ ব্যাপারে কিছু ভাবছেও না।

তাছাড়া ভ্যাকসিন পাসপোর্ট ফেডারেল সরকারের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বলেও যুক্তি তুলে ধরেছেন প্রাদেশিক কর্মকর্তারা। সলিসিটর জেনারেল সিলভিয়া জোন্স বুধবার বলেন, কোনো কিছুর জন্য ভ্যাকসিনের স্বপক্ষে প্রমাণ দেখার অধিকার প্রদেশের নেই। আমরা জনগণকে ভ্যাকসিন গ্রহণে উৎসাহিত করছি। কিন্তু কোনো কিছুর জন্য ভ্যাকসিনেশনের পক্ষে প্রমাণ চাওয়ার কোনো মানদ- নেই। এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়ে থাকলে তা ব্যক্তিগত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সিদ্ধান্ত, প্রাদেশিক উদ্যোগ নয়।



[email protected] Weekly Bengali Times

-->