মঙ্গলবার | ৩ আগস্ট ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • বিদেশি প্রভাবিত প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে
  • গ্রিন পার্টির নেতা অনামী পলকে দল থেকে বহিস্কারের কোনো সুযোগ নেই
অন্টারিও প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড

মহামারির প্রথম বছরে অন্টারিওর লং-টার্ম কেয়ার হোমগুলো ব্যাপক হারে সংক্রমণ ও মৃত্যু দেখেছিল। তবে বাসিন্দাদের সিংহভাগ ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আসায় পরিস্থিতির অনেকটাই উন্নতি হয়েছে। তবে স্বাস্থ্যকর্মীরা ভ্যাকসিনেশনে পিছিয়ে থাকায় তাদের মধ্যে সংক্রমণ এখনও বিরাজ করছে। এর প্রেক্ষিতে অন্টারিওর চিকিৎসক ও নিবন্ধিত নার্সদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন দ্য অন্টারিও মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন ও দ্য রেজিস্টার্ড নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব অন্টারিও প্রদেশের স্বাস্থ্যকর্মীদের বাধ্যতামূলকভাবে ভ্যাকসিনেশনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। যদিও প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ডের এই নীতির প্রতি সমর্থন নেই। 

সংগঠন দুটির পক্ষ থেকে শুক্রবার এই দাবি জানানো হয়। দ্য অন্টারিও মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট ডা. অ্যাডাম কাসাম এক বিবৃতিতে বলেন, কোভিড-১৯ এর বিস্তার নিয়ন্ত্রণ রাখতে ভ্যাকসিনই সর্বোত্তম উপায়। একই সঙ্গে আমাদের পিতা-মাতা, পরিবার ও বন্ধুদের সুরক্ষিত রাখারও জরুরি উপাদান এটি। পুরোপুরি ভ্যাকসিনেটেড সম্মুখসারির চিকিৎসক হিসেবে সেইসব সহকর্মীদের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমি গর্বিত, যারা যোগ্য সবার প্রতি ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। 

এই দাবি তুলতে গিয়ে সংগঠনের সদস্যদের ওপর পরিচালিত সাম্প্রতিক একটি সমীক্ষার কথাও উল্লেখ করেছে অ্যাসোসিয়েশন। তাতে দেখা গেছে, সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৯৮ শতাংশ চিকিৎসক এরই মধ্যে উভয় ডোজের ভ্যাকসিন নিয়ে ফেলেছেন। 

এ ব্যাপারে ফোর্ডের অবস্থানের বিষয়টি দ্য অন্টারিও মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন উল্লেখ না করলেও নার্সেস’ অ্যাসোসিয়েশন বাধ্যতামূলক ভ্যাকসিনেশনের বিষয়ে প্রিমিয়ারের অবস্থানকে ভুল বলে আখ্যায়িত করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক টুইটে বলা হয়েছে, নার্সরা বিজ্ঞান ও রোগীদের পাশে আছে। এ কারণেই স্বাস্থ্যকর্মীদের বাধ্যতামূলক কোভিড সরকারের পক্ষ থেকে এখন কর্মীদের জন্য ভ্যাকসিনেশনের তথ্য জানানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নন-মেডিকেল কারণে কোনো কর্মী ভ্যাকসিন না নিলে তার জন্য ভ্যাকসিনেশনের গুরুত্ব সম্পর্কিত শিক্ষা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সরকারের তথ্য অনুযায়ী, লং-টার্ম কেয়ার হোমের ৯৩ শতাংশ কর্মী অন্তত এক ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। আর উভয় ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন ৮৭ শতাংশ। 

-১৯ ভ্যাকসিন দেওয়ার কথা বলছি আমরা।

ডগ ফোর্ড নিজে এরই মধ্যে উভয় ডোজের ভ্যাকসিন নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, জনগণকে উভয় ডোজ ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তবে তা না নেওয়ার অধিকারও তাদের রয়েছে। আমি মনে করি, ভ্যাকসিন নেওয়া ও না নেওয়া আমাদের সাংবিধানিক অধিকার।

অন্টারিওর জন্য ভ্যাকসিন পাসপোর্টের ধারণারও বিরোধিতা করেন ডগ ফোর্ড। তিনি বলেন, ভ্যাকসিনেশন নীতি কি হবে তা নির্ধারণ করার দায়িত্ব নিয়োগদাতাদের। 

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অন্য কেউ দেখতে চাইলে জনগণ তাদের ভ্যাকসিন নেওয়ার রশিদটি দেখাতে পারেন। শুক্রবার পর্যন্ত অন্টারিওর প্রাপ্ত বয়স্ক ৭৯ শতাংশ নাগরিক অন্তত এক ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। উভয় ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন ৬০ শতাংশ।


[email protected] Weekly Bengali Times

-->