মঙ্গলবার | ৩ আগস্ট ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • বিদেশি প্রভাবিত প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে
  • গ্রিন পার্টির নেতা অনামী পলকে দল থেকে বহিস্কারের কোনো সুযোগ নেই
সীমান্তে যাত্রী বেড়েছে ২৫ শতাংশ

: ২০ জুলাই ২০২১ | রেজাউল হক |

সীমান্তে লোক সমাগম বাড়ছে


কানাডিয়ান নাগরিক বা স্থায়ীভাবে বসবাসকারীদের পরিবারের সদস্য ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদেরও কানাডায় প্রবেশের আবেদনের সুযোগ রয়েছে। এদের মধ্যে গত সপ্তাহে যারা অব্যাহতির সুযোগ পাননি তাদের অধিকাংশই হয় এক ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন, শেষ ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়ার ১৪ দিন অপেক্ষা করেননি অথবা যে ভ্যাকসিন নিয়েছেন তা কানাডায় অনুমোদিত নয়। তাছাড়া ভ্রমণকারীদের অ্যারাইভক্যান অ্যাপ বা অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে তাদের ভ্যাকসিন সংক্রান্ত তথ্য এবং ভ্রমণের তিনদিন আগে করা কোভিড-১৯ পরীক্ষার নেগেটিভ সনদ প্রদানের বাধ্যবাধকতা আছে।

প্রধামন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বৃহস্পতিবার বলেন, স্থায়ীভাবে সীমান্ত খুলে কানাডার পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে হুমকির মুখে ফেলে দেওয়ার কোনো ইচ্ছা তার নেই। তবে উভয় ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন কিন্তু কানাডিয়ান নাগরিক নন, তাদের জন্যও আগামীতে সীমান্ত বিধিনিষেধ শিথিলের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যদিও কবে সেটা হবে সেই দিনক্ষণ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। 

এদিকে, পূর্ণাঙ্গ ভ্যাকসিনেটেড ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ভ্রমণ বিধিনিষেধ শিথিল করার পর থেকে সীমান্তে লোক সমাগম বাড়ছে। আসছে সপ্তাহে মানুষের চাপ আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বর্ডার এজেন্টরা। কানাডা বর্ডার সার্ভিসেস এজেন্সি বলছে, সোমবার থেকে পুরোপুরি ভ্যাকসিনেটেড ব্যক্তিদের জন্য কোয়ারেন্টিন বিধি বাতিল করার পর গত সপ্তাহে সীমান্তে যাত্রী বেড়েছে ২৫ শতাংশ। যদিও সীমান্ত অতিক্রমের শর্তগুলো সম্পর্কে এজেন্সির সর্বোচ্চ প্রচারণা সত্ত্বেও প্রায় অর্ধেক মানুষকে ফিরে যেতে হয়েছে।

এজেন্সির ট্রাভেলার ব্রাঞ্চের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেনিস ভিনেট বলেন, জনগণ সীমান্ত অতিক্রমের শর্তগুলো বুঝতে না কিনা সেটাই প্রশ্ন।

কোয়ারেন্টিন থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে ভ্যাকসিনেটেড যাদেরকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে আছেন কানাডিয়ান নাগরিক, স্থায়ী বসবাসকারী ও হেলথ কানাডা অনুমোদিত চারটি ভ্যাকসিনের যেকোনো একটির উভয় ডোজ গ্রহণকারী বিদেশি নাগরিক, যাদের উভয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়ার পর দেশের বাইরে যাওয়া দুই সপ্তাহ হয়েছে। হেলথ কানাডা অনুমোদিত চারটি ভ্যাকসিন হলো ফাইজার-বায়োএনটেক, মডার্না, অক্সাফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও জনসন অ্যান্ড জনসন। 



[email protected] Weekly Bengali Times

-->