মঙ্গলবার | ৩ আগস্ট ২০২১ | টরন্টো | কানাডা |

Breaking News:

  • বিদেশি প্রভাবিত প্রচারণায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করা হচ্ছে
  • গ্রিন পার্টির নেতা অনামী পলকে দল থেকে বহিস্কারের কোনো সুযোগ নেই
অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন প্রয়োগ বন্ধ করতে সুপারিশ

কানাডার ন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটি অন ইমিউনাইজেশন গত মাসে অধিকাংশ ক্ষেত্রে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন প্রয়োগ বন্ধ করতে প্রদেশগুলোর প্রতি সুপারিশ করে। প্রথম ডোজ হিসেবে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন গ্রহীতারা দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে চাইলে ফাইজার বা মডার্নার মতো যেকোনো একটি এমআরএনএ ভ্যাকসিন নিতে পারেন বলেও সুপারিশ করে কমিটি। গত জুনের হিসাব অনুযায়ী, উভয় ডোজের ভ্যাকসিন নেওয়ার পর ভিআইটিটিতে আক্রান্ত হওয়ার হার প্রতি ৬ লাখে একজন।

এদিকে, বিরল ঘটনা হলেও কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কিছু মানুষের শরীরে রক্ত জমাট বাধছে কিভাবে সেই তথ্য হাজির করেছেন ম্যাকমাস্টার ইউনিভার্সিটির একদল গবেষক। গত বুধবার বিজ্ঞান সাময়িকী নেচারে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, অ্যাডেনোভাইরাল ভেক্টর ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কিছু মানুষের শরীরে অস্বাভাবিক অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। ওই অ্যান্টিবডি এরপর সুনির্দিষ্ট কিছু ব্লাড প্লাটিলেটের উপাদানে আটকে গেলে রক্ত জমাট বাধতে শুরু করে।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের ভ্যাকসিন বিরল ভ্যাকসিন ইনডিউজড ইমিউন থ্রম্বোটিক থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া অথবা ভিআইটিটি সৃষ্টি করে। দুটি ভ্যাকসিনই তৈরি হয়েছে অ্যাডেনোভাইরাল ভেক্টর প্রযুক্তি ব্যবহার করে। 

ম্যাকমাস্টারের গবেষকরা বলছেন, কেন এ ধরনের বিরল অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে এবং তার ফলে কেনই বা রক্ত জমাট বেধে যায় সেটা আমরা জানতে পারিনি। তবে ভিআইটিটি অ্যান্টিবডির সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য কি সেটা আমরা ধরতে পেরেছি।

পাঁচজন ভিআইটিটি রোগির সঙ্গে একই রকম অবস্থায় থাকা হেপারিন ইনডিউজড থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া বা এইচআইটিতে আক্রান্ত ১০ জন রোগীর তুলনাও করা হয়েছে গবেষণায়। তাতে ভিআইটিটি এবং এইচআইটিতে আক্রান্তদের মধ্যে প্লাটিলেটের কার্যক্রমের ধরনে মৌলিক কিছু পার্থক্য উঠে এসেছে। এর অর্থ হলো এইচআইটি সনাক্তের পরীক্ষা ভিআইটিটি সনাক্তের জন্য উপযুক্ত নয়। 

প্রধান গবেষক ইশাক ন্যাজি বলেন, গবেষণায় উঠে আসা তথ্য ভিআইটিটি সনাক্তে ও এর চিকিৎসায় সাহায্য করবে বলে আমরা আশাবাদী। 

সহ গবেষক ও ম্যাকমাস্টার প্লাটিলেট ইমিউনোলজি ল্যাবরেটরির কো-মেডিকেল ডিরেক্টর জন কেলটন বলেন, পরবর্তী ধাপ হলো ভিআইটিটি সনাক্তে দ্রুত ও নির্ভুল পরীক্ষা উদ্ভাবন করা। ভিআইটিটি সনাক্তের বর্তমান যে র‌্যাপিড টেস্ট চালু আছে তা বেশ সময়সাপেক্ষ এবং এতে ফলস নেগেটিভ ফলাফল আসার সম্ভাবনাও রয়েছে।



[email protected] Weekly Bengali Times

-->