
একদিনের মধ্যে এত পাখি চলে এসেছে, বাইরে কলকাকলি চলছে পাখিদের । একদম মাইনাস বিশ থেকে প্লাস বিশে উঠে গেল উত্তাপ, কি সুন্দর একটা দিন ছিল গতকাল। আজ একটু কমে এসেছে উত্তাপ এমনটা থাকাই ভালো । নয়তো ফুল ফোটা, ফল, ফসল হওয়ার আগেই নষ্ট হয়ে যাবে । ধীরগতিতে চলাই শ্রেয় ।
এখানে পাখি ডাকছে, প্রকৃতি চলছে নিজের নিয়মে।
কিন্তু কোথাও কোথাও পাখিদের জায়গা দখল করে নিয়েছে মেশিন, মানুষের তৈরি মেশিন ।
অদ্ভুত কিছু মানুষের মাথা থেকে নিজেদের পকেটে সমস্ত সুযোগ, গুঁজে ফেলার ইচ্ছা জেগেছে । পৃথিবীর সমস্ত সম্পদ এককভাবে দখল করার জন্য মেতেছে কেউ । পাখিরা সেই প্রকৃতিতে জায়গা পাবে কেমন করে, মানুষরাই বেঁচে থাকার সুযোগ পাচ্ছে না ।
মানুষের তৈরি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে যাক। বিলিয়ন ডলার হয়তো কোন সময় কামাই হবে আবার কিন্তু প্রকৃতির যে ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে সেই ক্ষতিপূরণ হবে কিভাবে?
নিজেকে নিকৃষ্ট মনে হয় মানুষ হিসাবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে আমরা কি জবাব দিব,পৃথিবীর সম্পদ নষ্ট করার অধিকার, কে দিয়েছে, এই সমস্ত স্বার্থভোগী নেতাদের ।
আজ কাল অবাক হয়ে আরও একটি বিষয় দেখি কিছু একটা হলেই ঘরের ঝগড়া নিয়ে মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় চলে আসে, দুজন মানুষের ঝগড়া বিবাদ হাজার জনতার মাঝে প্রচার করে মানুষ সুখ পায়। ঘরের ভিতরে নিজেদের মধ্যেই মিটমাট করা উচিত। বেশি হলে ডাকা যায় পরিবারের মুরব্বিদের।
যাদের সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট জীবনের অংশ । নয়তো আইনের সাহায্যে মিটিয়ে নিতে হয় সমস্যা ।
একই নিয়মে অস্থির মানুষ নিজের জাতীয়তা, নিজস্ব সমস্যা, দেশের বিষয়ে নিজেরা সমাধান না করে কথায় কথায় ভাবে, অন্য কেউ এসে সমাধান করে দেবে। ডেকে নিয়ে আসে মূর্খরা, বড় বড় ডাকাতদের নিজেদের সমস্যার সমাধান করার জন্য। দ্রুত সমস্যা মিটিয়ে ফেলার আশায় । নিজের চেষ্টায় অর্জন না করে ।
ফলশ্রুতিতে হারিয়ে ফেলে নিজেদের ঐতিহ্য, ইতিহাস, অস্তিত্ব। অথচ বুঝতেই পারেনা, নিজের সমস্যা নিজেরা সমাধান না করে অন্যদের ডেকে নিয়ে আসা কতটা ভুল ছিল । নিজেও কিছু পায় না হাস্যকর হয়ে ওঠে। আর হারিয়ে ফেলে আপনসত্তা, জাতীয় ঐতিহ্য।
টরন্টো, কানাডা

