
১৯৮৫ সালের ২৩ জুন এক মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল বিশ্ব। এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২, যা মন্ট্রিয়াল থেকে লন্ডনের পথে যাচ্ছিল, আটলান্টিক মহাসাগরের আকাশে ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা মোট ৩২৯ জন যাত্রী ও ক্রু সদস্য নিহত হন। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন কানাডা ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত যাত্রী।
ঘটনাটি ঘটেছিল আয়ারল্যান্ডের উপকূলের প্রায় ১৯০ কিলোমিটার দূরে। বিস্ফোরণের পর বিমানটি সাগরে আছড়ে পড়ে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আন্তর্জাতিক সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে এ ভয়াবহ ট্রাজেডি।
তদন্তে প্রকাশ পায়, এটি ছিল একটি পরিকল্পিত সন্ত্রাসী হামলা। সিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী জড়িত ছিল এই বিস্ফোরণের পেছনে। এটি শুধু কানাডার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা নয়, বরং সন্ত্রাসবাদী হামলার শিকার হওয়া আন্তর্জাতিক উড্ডয়নের অন্যতম কালো অধ্যায়।
আজও এ ঘটনা কানাডা ও ভারতের মানুষকে শোকাহত করে। নিহতদের স্মরণে প্রতিবছর আয়োজিত হয় বিশেষ অনুষ্ঠান, যেখানে পরিবার-পরিজন ও সরকারি প্রতিনিধি উপস্থিত থাকেন।
এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট ১৮২ ট্রাজেডি শুধু শত শত পরিবারকে শোকে নিমজ্জিত করেনি, বরং আন্তর্জাতিক বিমান নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছিল বিশ্বকে।

