
বালক থেকে যৌবনের সন্ধীক্ষণ থেকে আমার প্রিয় তারা দুই ভাই শোয়েব চৌধুরী ও সাঈদ চৌধুরী। তখন যখন নতুন ঢাকায় প্রথম ‘ইব্রাহীম টেইলার্স’ শুরু করেছে জিন্স প্যান্ট শিলানো।তাদের আবদারে দু’জনকে নিয়ে হাজির হয়েছিলাম সেখানে।
আমার জীবনের শুরুতে প্রথম যান ইয়াহামা১০০। সেটিতে করে পেছনে শোয়েবকে নিয়ে ঘুরতে লাগাতার কানের কাছে রবীন্দ্রসঙ্গীত সে গুণগুণ করতো। পরে নিজে মোটর বাইক কিনে তার গুরু ওয়াহিদুল হকে নিয়ে যাতায়াত করতেও তেমনি গুণগুণ করতো,থামেনি বরং এখন বিমানের স্বপ্নজাহাজ ড্রিমলাইনার ৭৮৭ চালিয়ে সাত সমুদ্র পার হয়ে যেখাই যায় সেই গুণগুণ আর থামেনি।
ভেবে ছিলাম মস্তবড় রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী হবে।কখন যে উড়ন্তীবাজ হয়ে উঠলো শোয়েব টের পাইনি। শুধু গতানুগতিক পাইলট সে হতে পারেনা যেহেতু সেতো আমার প্রিয় বরেণ্য শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরীর ভ্রাতুষ্পুত্র। পেইন্টিং এর রঙ ফর্ম ব্যাপ্তী তাকে অদৃশ্য ভাবে টানে।
শুধু নামী দামী শিল্পীদেরই ছবি তারা দইজন সংগ্রহ করেনা আমাদের মত সাধারণ শিল্পীদের ছবিও করে। ঢাকা-টরন্টো শহরে যাওয়া আসার মাঝে বিশ্ব কবিমঞ্চের পক্ষে তার সঙ্গে ‘আড্ডা ও গান’ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করার জন্যে কবি রোখসানা বেগম ও ত্বিষা মাহমুদা কাউসারকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

