পুরুষ সহকর্মীদের নিয়ে হাসপাতালের ভেতরেই মদ পান করছিলেন ৩ নারী, অতঃপর….

পুরুষ সহকর্মীদের নিয়ে হাসপাতালের ভেতরেই মদ পান করছিলেন ৩ নারী, অতঃপর…. - the Bengali Times

ভারতের বিহারের একটি সরকারি হাসপাতালের জরুরি ভবনের সিঁড়িতে পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে মদ পান করার অভিযোগ উঠেছে তিন নারীর বিরুদ্ধে

ভারতের বিহারের একটি সরকারি হাসপাতালের জরুরি ভবনের সিঁড়িতে পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে মদ পান করার অভিযোগ উঠেছে তিন নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর হাসপাতালের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি তদন্তে মামলা করেছে পুলিশ।

বিহারের দরভাঙ্গা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে (ডিএমসিএইচ) এ ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তিন নারী ও তিন পুরুষকে হাসপাতালের নতুন জরুরি ভবনের সিঁড়িতে দেখা যায়। তাঁদের মধ্যে তিন নারী ও এক পুরুষকে মদ পান করতে দেখা গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

- Advertisement -

সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল

সিসিটিভি ফুটেজে প্রথমে দুই নারীকে কোমল পানীয় ও হালকা খাবার নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। এ সময় আরেক নারী সিঁড়ির কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে সেখানে তিন পুরুষ প্রবেশ করেন। তাঁদের একজন এক নারীকে মদের বোতল দেন।

এরপর ওই নারী মদ পান করার প্রস্তুতি নেন। পরে তিন নারী তাঁদের এক পুরুষ সহকর্মীর সঙ্গে মদ পান করেন বলে ভিডিওতে দেখা যায়।

উপস্থিত তিন পুরুষের মধ্যে একজনের পোশাকে দরভাঙ্গা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নাম লেখা ছিল। এ কারণে তাঁদের হাসপাতালের কর্মী বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।

ঘটনাটি এমন একটি রাজ্যে ঘটেছে, যেখানে মদ উৎপাদন, বিক্রি ও পান নিষিদ্ধ। ফলে সরকারি হাসপাতালের ভেতরে এমন ঘটনার অভিযোগ নতুন করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

মামলা, তদন্ত শুরু

ঘটনার ভিডিও সামনে আসার পর দরভাঙ্গার জ্যেষ্ঠ পুলিশ সুপার জগুনাথ রেড্ডি সংশ্লিষ্ট বেনতা থানাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে ভিডিওর ভিত্তিতে মামলা করা হয় এবং তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

সদর মহকুমা পুলিশ কর্মকর্তা রাজীব কুমার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে।

তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পরিচয়, তাঁদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles