
ভালোবাসার প্রকাশেও যে বিশ্বরেকর্ড গড়া যায়, তারই নজির দেখালেন ব্রাজিলের এক প্রেমিক যুগল। মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছেন রেনাতো বায়মা গাইয়া ও তাঁর প্রেমিকা নাইয়ারা রোবার্তা রিবেইরো দে মারিন্স।
‘৩০ সেকেন্ডে এক জুটির সর্বাধিক চুম্বন’ বিভাগে এই রেকর্ড গড়েন তাঁরা। আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবস উপলক্ষে তাঁদের এ কৃতিত্বের স্বীকৃতি দেয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস।
প্রায় দেড় বছর ধরে সম্পর্কে রয়েছেন ৩২ বছর বয়সি রেনাতো ও ৩৩ বছর বয়সি নাইয়ারা। পেশায় দুজনই চিকিৎসক। করোনাভাইরাস মহামারির সময় সামনের সারিতে থেকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন তাঁরা। এবার চিকিৎসক পরিচয়ের পাশাপাশি বিশ্বরেকর্ডধারী হিসেবেও পরিচিত হলেন এই যুগল।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, প্রিয় ফুটবল ক্লাব সাও জোসের জার্সি পরে রেনাতো দ্রুতগতিতে নাইয়ারার গালে একের পর এক চুম্বন করছেন। পুরো সময়জুড়ে হাসিমুখে ছিলেন নাইয়ারা।
এই সাফল্য রেনাতোর জন্য অবশ্য প্রথম নয়। এর আগে দ্রুততম সময়ে ১০টি বই সাজিয়ে ফেলা এবং পুরুষদের মধ্যে পায়ের সর্বাধিক ঘূর্ণনসহ একাধিক রেকর্ড গড়েছেন তিনি। সর্বশেষ অর্জনের পর তাঁর দাবি, ব্রাজিলে তিনিই সবচেয়ে বেশি গিনেস বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী ব্যক্তি।
রেনাতো চান, তাঁর রেকর্ড গড়ার এই যাত্রায় প্রেমিকা নাইয়ারার নামও স্মরণীয় হয়ে থাকুক। তায়কোয়ান্দোতে ব্ল্যাক বেল্টধারী এই চিকিৎসক একজন অস্থিমজ্জা দাতাও। তিনি এডিএইচডিতে আক্রান্ত হওয়ার কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, এ অবস্থার মধ্যেও ইচ্ছাশক্তি দিয়ে সাফল্য অর্জন সম্ভব—এমন বার্তা দিতে চান তিনি।
তবে এখানেই থামতে চান না এই প্রেমিক যুগল। এবার তাঁদের লক্ষ্য এক মিনিটে সর্বাধিক চুম্বনের বিশ্বরেকর্ড ভাঙা। বর্তমানে জাপানের চেরি ইয়োশিতা, যিনি মিস্টার চেরি নামে পরিচিত, ও কুমিকো শিরাতোরির দখলে রয়েছে এ রেকর্ড। তাঁরা এক মিনিটে ২৭৭টি চুম্বন করেছিলেন।
এবার সেই রেকর্ড ভেঙে ভালোবাসার প্রকাশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান ব্রাজিলের এই যুগল।

