
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে এক স্কুলশিক্ষিকাকে ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগে এক ছাত্রীর মা প্রিয়া বেগমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হামলায় শিক্ষিকার মাথায় একাধিক কোপ লাগে, শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয় এবং একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ ও স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, আহত সিঁথি সীমিতা স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষিকা। পাশাপাশি তিনি বাসায় গিয়ে শিক্ষার্থীদের পড়াতেন। অভিযোগ রয়েছে, টিউশনি শেষে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় অভিযুক্ত নারী দরজা বন্ধ করে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন।
পরিবারের দাবি, টিউশনির বকেয়া টাকা চাওয়া বা ধার চাওয়ার বিষয়কে কেন্দ্র করে এ হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। স্বজনদের আরও অভিযোগ, হামলার সময় অভিযুক্ত স্বর্ণালংকার নিয়েও মন্তব্য করেছিলেন, যা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্য ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে।
চিকিৎসকদের মতে, শিক্ষিকার মাথায় ১০টি গভীর ক্ষত রয়েছে এবং সেখানে প্রায় ৫০টি সেলাই দিতে হয়েছে। তার সাতটি আঙুলে গুরুতর আঘাত লেগেছে, যার মধ্যে একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
ভৈরব থানার পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য ও ঘটনার কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

