
গাজায় মানবিক পরিস্থিতির দ্রুত অবনমন প্রতিরোধে ব্যর্থতার জন্য বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি সরকারকে অভিযুক্ত করেছেন কানডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। একই সঙ্গে ত্রাণ সহায়তা পৌঁছাতে বাধ প্রদানের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগও তিনি এনেছেন ইসরায়েলি সরকারের বিরুদ্ধে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কার্নি বলেন, ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রিত ত্রাণ সহায়তা বিতরণ অবশ্যই আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর নেতৃত্বে হতে হবে। কানাডা সরল বিশ্বাসে দ্রুত একটি যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছাতে উভয় পক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে কানাডা।
পোস্টে তিনি লেখেন, হামাসের প্রতি আমরা বিলম্ব না করে জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে ইসরায়েলি সরকারের প্রতি আমাদের আহ্বান থাকছে পশ্চিম তীর ও গাজার আঞ্চলিক অখÐতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের।
ইসরায়েলের সংসদ গত বুধবার পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত করার একটি প্রতীকি প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। পশ্চিম তীর সংযুক্ত করে নিলে তা ইসরায়েলের পাশাপাশি একটি টেকসই ফিলিস্তিনি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে কঠিন করে তুলবে। কারণ, এটাকেই আন্তর্জাতিকভাবে এই সংঘাত সমাধানের একমাত্র বাস্তব উপায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কার্নি বলেন, কানাডা দুই রাষ্ট্র সমাধানকে সমর্থন করে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী অনীতা আনান্দ আগামী সপ্তাহে নিউ ইয়র্কে এই ইস্যুতে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের সম্মেলনে যোগ দিতে যাচ্ছেন।
সেন্টার ফর জুইশ অ্যান্ড ইসরায়েল অ্যাফেয়ার্স বলেছে, হামাস যুদ্ধবিরতি চায় না এবং যেকোনো মূল্যে তারা ক্ষমতা ধরে রাখতে চায়। এই কারণে আমরা হামাসকে কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের সরকারগুলোকে ধন্যবাদ দিতে দেখছি।
গাজায় আশু যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে যে দুই ডজনের বেশি দেশ এই সপ্তাহে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে কানাডার তার মধ্যে অন্যতম। বিবৃতিদাতা অন্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাজ্য, জাপান এবং অস্ট্রেলিয়া।

