কানাডায় বর্ণবাদী দল

কানাডায় বর্ণবাদী দল - the Bengali Times
গুগলে কানাডায় বর্ণবাদী দল নামে সার্চ দিলে একটা নুতন দলের নাম চলে আসে

গুগলে কানাডায় বর্ণবাদী দল নামে সার্চ দিলে একটা নুতন দলের নাম চলে আসে। তারা কানাডার ইমিগ্রেশন বিরোধী, এমনকি করোনার টিকা দেবার ও করোনার সময়ে লকডাউনেরও চরম বিরোধিতা করেছে। যাইহোক বিগত কয়েক বছরে কানাডা, আমেরিকা, ফ্রান্স, ডেনমার্কসহ অনেক দেশেই ধর্ম, রাজনীতি, শরীরের চামড়ার রঙ ইত‍্যাদির ভিত্তিতে মানুষে মানুষের একে অপরকে ঘৃণার চর্চা ও মানসিকতা বেড়েছে। ফলে যেমন ব‍্যক্তি পর্যায়ে তেমন সমাজ ও রাজনীতিতে বিভক্তি বিভাজন বেড়েছে। যাহোক কানাডার সেই নুতন দলটি বিগত তিনটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পার্লামেন্টে কোন আসন না পেলেও পপুলার ভোটের সংখ‍্যাটা দেখুন। ২০১৯ সালে তারা প্রার্থী দিয়েছিল ৩১৯ জন, ভোট পেয়েছে ২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৯৮ ভোট। অর্থাৎ মোট ভোটারের ১.৬%। এরপর ২০২১ সালে ৩১২ জন প্রার্থী দিয়ে ভোট পেয়েছে ৮ লক্ষ ৪০ হাজার ৯৯০ ভোট। অর্থাৎ ৪.৯%। ২০২৫ সালে ২৪৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভোট পেয়েছে ১ লক্ষ ৪১ হাজার ২১০ ভোট। অর্থাৎ ০.৭%।

কানাডায় বর্ণবাদী দল - the Bengali Times

- Advertisement -

বাংলাদেশের কিছু লোক যারা সংখ‍্যানুপাতে বা পিআর পদ্ধতিতে ভোট ও আসন চায়, সেটা যদি কানাডায় থাকতো তাহলে এই বর্ণবাদী দলটি ২০২১ সালের নির্বাচনে আসন পেত ১৭ টি। ২০১৯ সালে পেত ৫টি। কল্পনা করা যায়? ভাগ্যিস এই কু প্রথা কানাডায় নাই। থাকলে, এরা পার্লামেন্টে গিয়ে কী বলতো তা সহজেই অনুমান করা যায়। মনে রাখা দরকার ঘৃণার চর্চা যারা করেন তাঁদেরকে সমুলে উৎখাত করার লড়াইটাই মুখ‍্য হওয়া দরকার বর্তমানে, দলবাজি নয়। সংখ‍্যানুপাতে সংসদে আসন নেবার চেষ্টা করা মানে শুধুই কিছু সংখ‍্যক রাজনৈতিক দোকানের মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতাকে আরো প্রশ্রয় দেয়া। খেয়াল করুন, ২০২৫ সালে এসে কানাডার সেই দলটি ভোট পেয়েছে মাত্র ০.৭%। আর এটা সম্ভব হয়েছে ক্রমাগত গনতন্ত্র প্রাকটিসের জন‍্যে।

অতএব বাংলাদেশে শুধু নয়, কোন গনতান্ত্রিক দেশেই পিআর থাকা উচিত নয়। বর্তমান প্রচলিত সংসদীয় পদ্ধতির কোন ত্রুটি থাকলে তা সংশোধন করুন, সংস্কার করুন। পিআর চালু করা মানে নিজেদের গলায় নিজেরাই ফাসিঁ দিয়ে আটকে যাওয়া।

- Advertisement -
পূর্ববর্তী খবর
পরবর্তী খবর

Related Articles

Latest Articles