নিজেরাই ধনী, ব্যক্তিত্বপূর্ণ ইংল্যান্ডের ‘পাওয়ার ওম্যান’ ওয়াগস

নিজেরাই ধনী, ব্যক্তিত্বপূর্ণ ইংল্যান্ডের ‘পাওয়ার ওম্যান’ ওয়াগস - the Bengali Times
বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সাফল্যের সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছেন এমন একদল নারী যারা নিজেদের যোগ্যতা পেশা ও উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন আলাদা পরিচয় ও উল্লেখযোগ্য সম্পদ

ফুটবলারদের স্ত্রী বা সঙ্গীদের (ওয়াগস) নিয়ে দীর্ঘদিনের ধারণা—তারা কেবল তারকা স্বামীর পরিচয় ও সম্পদের ওপর নির্ভরশীল। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সাফল্যের সঙ্গে আলোচনায় উঠে এসেছেন এমন একদল নারী, যারা নিজেদের যোগ্যতা, পেশা ও উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন আলাদা পরিচয় ও উল্লেখযোগ্য সম্পদ। তাদের মধ্যে রয়েছেন উদ্যোক্তা, নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) নার্স, আইনজীবী, বিপণন নির্বাহী, মডেল ও কনটেন্ট নির্মাতা।

ব্র্যান্ড বিশেষজ্ঞ নিক এডের মতে, আধুনিক প্রজন্মের ওয়াগসরা শুধু ফুটবল তারকার সঙ্গী নন, তারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। পেশাগত আয়ের পাশাপাশি ব্র্যান্ড চুক্তি ও বাণিজ্যিক সহযোগিতার মাধ্যমে তারা বছরে লাখ লাখ পাউন্ড আয় করার সম্ভাবনাও রাখেন।

- Advertisement -

জন স্টোনসের স্ত্রী অলিভিয়া নেলর সফল বিউটি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত। তার সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ১২ থেকে ১৫ লাখ পাউন্ড। বিলাসবহুল ফ্যাশন ও সৌন্দর্য খাতে কাজের পাশাপাশি একটি স্পন্সর করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট থেকেই তিনি কয়েক হাজার পাউন্ড আয় করতে পারেন।

বুকায়ো সাকার বাগদত্তা তোলামি বেনসন জনসংযোগ পেশায় প্রতিষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক মিডিয়া প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন। তার সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪ থেকে ৬ লাখ পাউন্ড।

জুড বেলিংহামের সঙ্গী অ্যাশলিন কাস্ত্রো আন্তর্জাতিক মডেল ও ডিজিটাল কনটেন্ট নির্মাতা। বিভিন্ন বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজের সুবাদে তার সম্পদ ৫ থেকে ৮ লাখ পাউন্ড বলে ধারণা করা হয়।

হ্যারি কেইনের স্ত্রী কেটি কেইন ফিটনেস প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। প্রচারের আলো থেকে দূরে থাকলেও স্বাস্থ্য ও ক্রীড়াসংশ্লিষ্ট ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করলে তার উল্লেখযোগ্য আয় করার সুযোগ রয়েছে।

এবেরেচি এজের স্ত্রী নাইমা করবিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনপ্রিয়তার বদলে আইসিইউ নার্স হিসেবে চিকিৎসা পেশাকেই বেছে নিয়েছেন। জনসেবার প্রতি তার এই অঙ্গীকার তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

রিস জেমসের প্রেমিকা মিয়া ম্যাকক্লেনাঘান আইন পেশায় যুক্ত এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক আইন নিয়ে কাজ করছেন। দ্রুত বিকাশমান এই খাতে তার সম্ভাবনাও উজ্জ্বল।

এ ছাড়া এলিয়ট অ্যান্ডারসনের প্রেমিকা অলিভিয়া কেট পারভিয়া প্যারালিগ্যাল হিসেবে, জর্ডান পিকফোর্ডের স্ত্রী মেগান পিকফোর্ড কনটেন্ট নির্মাতা হিসেবে এবং অলি ওয়াটকিনসের স্ত্রী এলি ওয়াটকিনস লাইফস্টাইল নির্মাতা হিসেবে নিজ নিজ পেশায় প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন।

ইংল্যান্ড দলের এই ওয়াগসদের গল্প প্রমাণ করে, তারা শুধু তারকা ফুটবলারের সঙ্গী নন; নিজেদের মেধা, পরিশ্রম ও পেশাগত সাফল্যের মাধ্যমে তারা স্বাধীন পরিচয় এবং আর্থিক সক্ষমতা গড়ে তুলেছেন।

- Advertisement -

Related Articles

Latest Articles